সামাজিক ঐতিহ্যের একটি স্বতন্ত্র প্রকল্প
এই পাতার সূত্র উল্লেখ করুন

আগুরী ঐতিহ্য. “আগুরী ঐতিহ্য.” সর্বশেষ হালনাগাদ: . https://aguri-heritage.in/bn/.

এই পাতার সূত্র উল্লেখ করলেই তা পুনঃপ্রকাশের অনুমতি পাওয়া যায় না। স্বত্ব ও পুনর্ব্যবহার.

আগুরী / উগ্রক্ষত্রিয় · রাঢ়বঙ্গ

একটি জনগোষ্ঠী।
একটি ভূখণ্ড।
এক জীবন্ত ইতিহাস।

আগুরী ঐতিহ্যে স্বাগত। প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মকে যুক্ত করে রাখা নথি ও স্মৃতির সূত্রে জানুন পশ্চিমবঙ্গের আগুরী / উগ্রক্ষত্রিয় সমাজের ইতিহাস, ব্যক্তিত্ব ও সংস্কৃতি।

সর্বশেষ হালনাগাদ:

বর্ধমানের কল্পিত জলরঙের চিত্র: আঁকাবাঁকা নদী, সোনালি ধানখেত, গ্রামজীবন ও বিজয় তোরণ, যা কার্জন গেট নামেও পরিচিত
স্মৃতির নদীবর্ধমানের মাটি, নদী ও জীবন্ত ঐতিহ্য · একটি কল্পিত ভূদৃশ্যঅঞ্চলগুলি চিনুন →
এক জনগোষ্ঠী, দুই পরিচিত নামআগুরী · উগ্রক্ষত্রিয়
ঐতিহাসিক কেন্দ্রভূমিরাঢ়, পশ্চিমবঙ্গ
আমাদের সম্মিলিত ঐতিহ্যইতিহাস · সংস্কৃতি · ব্যক্তিত্ব

ইতিহাসের নতুন প্রবন্ধ

নগদী থেকে জোতদার

বর্ধমান রাজ ও আগুরীদের উৎপত্তি।

আগুরী ঐতিহ্যে স্বাগত

বাংলার আগুরী সমাজ

শিকড়, জীবিকা, শিক্ষা ও জনজীবনের সূত্রে একটি জনগোষ্ঠীর কথা।

আগুরী বা উগ্রক্ষত্রিয়রা একটি বাঙালি হিন্দু জনগোষ্ঠী। রাঢ়বঙ্গের সঙ্গে, বিশেষত বর্ধমান এবং পার্শ্ববর্তী বীরভূম, বাঁকুড়া ও হুগলি জেলার সঙ্গে তাঁদের নিবিড় ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। এই ইতিহাসে গ্রামজীবন, কৃষিকাজ, সৈনিকবৃত্তি, ব্যবসা, শিক্ষা এবং বাংলার জনজীবনে অবদান পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।[১][২]

শিকড়, সৈনিকবৃত্তি ও বসতি

আমাদের উৎপত্তি-বিষয়ক প্রবন্ধে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে আগুরীরা সম্ভবত বর্ধমান রাজের নগদ বেতনভোগী নগদী বাহিনীর বংশধর। প্রবন্ধটি বাহিনীর গঠনকে ১৬৯৬ সালের অস্থিরতার সঙ্গে এবং অষ্টাদশ শতাব্দীতে তার কাজকে মারাঠা হানা-সহ বিভিন্ন বিপদের বিরুদ্ধে রাজের প্রতিরক্ষার সঙ্গে যুক্ত করে। এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নগদ বেতন ইঙ্গিত করে এমন ভাড়াটে সৈন্যদের দিকে, যাঁদের প্রথমে স্থানীয় জমি ছিল না।

১৭৬৩ থেকে ১৮০৯ সালের মধ্যে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাহিনীটি ক্রমশ ছোট করে আনার সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তন সৈন্যরা কৃষিকাজ ও ভূমিস্বত্বের দিকে ঝুঁকেছিলেন। তাঁদের অনেকে ৩০–১০০ একর জমির অধিকারী শক্তিশালী কৃষক হয়ে জোতদার শ্রেণিতে যোগ দেন। ১৮৯১ সালে রিজলি লিখেছিলেন, অনেক আগুরীর জমিদারি ও বিভিন্ন স্তরের ভূমিস্বত্ব ছিল এবং অধিকাংশই ছিলেন মোটামুটি সচ্ছল কৃষক।[১][৩]

বর্ধমানে জনগোষ্ঠীটির কেন্দ্রীভবন এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন করে: ১৮৭২–১৯২১ সালের জনগণনাগুলিতে বাংলার আগুরীদের ৭৩–৮৭ শতাংশ এই জেলায় বাস করতেন।[১] প্রবন্ধে চণ্ডীমঙ্গলের পঙ্‌ক্তিটিও নতুন করে বিচার করা হয়েছে এবং “উগ্রক্ষত্রিয়”কে পরবর্তী কালের নাম হিসেবে দেখানো হয়েছে—১৮৭০-এর দশক থেকে এর লেখ্য সাক্ষ্য পাওয়া যায় এবং ১৯৩১ সালের জনগণনায় নামটি গৃহীত হয়। সম্পূর্ণ যুক্তি, ঘটনাক্রম ও তথ্যসূত্রের জন্য পড়ুন নগদী থেকে জোতদার।

জমি, উদ্যোগ ও সমাজ

অনেক পরিবারের জীবনে কৃষিকাজ প্রধান ছিল। অন্যেরা শস্যের ব্যবসা, ঋণদান, চালকল ও খনিশিল্পে যুক্ত হন। দত্ত আঙ্গুনার হাজরা পরিবার-এর চালকল ও কয়লাখনির উদ্যোগ, সাথীনন্দীর পাঁজা পরিবারের ব্যবসা ও জমিতে বিনিয়োগ এবং বাঁকুড়ার সাহানা পরিবারের নানা বাণিজ্যিক কাজের কথা বলেছেন (পৃ. ৩০৮–৩১০)। সাধারণ ও দরিদ্র কৃষকদের ইতিহাসও এই বিবরণের অংশ; সুযোগ ও সম্পদ সকলের মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত ছিল না।[১] অঞ্চল বিভাগে এই কাহিনির সঙ্গে গ্রাম, নদী ও বর্ধমানে আগুরী জনসংখ্যার ঐতিহাসিক কেন্দ্রীভবনের সম্পর্ক পাওয়া যাবে।

সমাজের সংগঠিত উদ্যোগ শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। দত্তের মতে, উগ্রক্ষত্রিয় সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮৮ সালে। দরিদ্র শিশুদের শিক্ষায় সাহায্য, জানা ও সুতা বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি, পণপ্রথার বিরোধিতা এবং বিধবাবিবাহের সমর্থন ছিল তার কাজের অংশ (পৃ. ৩১১–৩১৩)।[১] এই উদ্যোগগুলি সম্পর্কে পড়ুন সংস্কৃতি ও সমাজজীবন বিভাগে।

ব্যক্তিত্ব ও ঐতিহ্য

আগুরীরা একটি ছোট সম্প্রদায়। ১৯৩১ সালের পর কোনো জনগণনায় তফসিলি জাতি ও জনজাতি ছাড়া বাংলার অন্য জাতিগুলি গোনা হয়নি, তাই তাঁদের বর্তমান সংখ্যা কেবল অনুমান করা যায়। শেষ যাচাই-করা জনগণনার সংখ্যা, ১৯২১ সালের ৬৮,৮১৬, থেকে প্রক্ষেপণ করলে আজ তাঁরা মোটামুটি ৩.২ লক্ষ: পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার প্রায় ০.৩২ শতাংশ।[১][৪] এমনকি বর্ধমানেও, যেখানে জমির মালিক হিসেবে তাঁরা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন, ১৯১১ ও ১৯২১ সালের জনগণনায় তাঁরা ছিলেন জেলার জনসংখ্যার মাত্র ৪ শতাংশের কাছাকাছি।[১][৫]

সংখ্যায় কম হলেও বাংলার জনজীবনে, রাজনীতির নানা শিবিরে, আগুরীদের উল্লেখযোগ্য স্থান রয়েছে। বামপন্থী রাজনীতিতে বিনয় চৌধুরী ১৯৭৭ সাল থেকে বামফ্রন্ট সরকারের ভূমিসংস্কারে নেতৃত্ব দেন; তাঁর মৃত্যুর পর এক শ্রদ্ধাঞ্জলিতে তাঁকে জ্যোতি বসুর পরে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার সবচেয়ে প্রবীণ সদস্য বলা হয়।[৬][১] কোঙার ভাইয়েরা সিপিআই(এম)-এর কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলেন: হরেকৃষ্ণ কোঙার দুটি যুক্তফ্রন্ট সরকারেই ভূমি ও ভূমিরাজস্ব মন্ত্রী ছিলেন, আর বিনয়কৃষ্ণ কোঙার সর্বভারতীয় কৃষকসভার সভাপতি হন।[৭][৮][৯] কংগ্রেসে রাজ্যের মন্ত্রী যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ছিলেন।[১০] পরবর্তী দশকগুলিতে অজিতকুমার পাঁজার পরিবার প্রথমে কংগ্রেসে এবং পরে তৃণমূল কংগ্রেসে অগ্রণী ভূমিকা নেয়। অজিতকুমার পাঁজা কুড়ি বছর কলকাতা উত্তর-পূর্ব কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন; তাঁর ভাই ডা. রণজিৎকুমার পাঁজা বারাসতের সাংসদ ছিলেন; আর তাঁর পুত্রবধূ ডা. শশী পাঁজা ২০১৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন।[১১][১২][১৩][১৪] ২০২৬ সালের মে মাস থেকে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, যিনি বিবাহসূত্রে একটি আগুরী পরিবারের সদস্য, রাজ্যের বিজেপি সরকারের মন্ত্রী।[১৫][১৬][১৭]

বাংলার সংস্কৃতিতেও এই সম্প্রদায়ের ছাপ রয়েছে। প্রতাপচন্দ্র রায় সম্পূর্ণ ইংরেজি মহাভারত প্রকাশ করেন; শক্তি সামন্ত আরাধনা থেকে অমানুষ পর্যন্ত হিন্দি ও বাংলা ছবি পরিচালনা করেন; সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত রমাপদ চৌধুরী ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক হিসেবে আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যকে প্রভাবিত করেন; আর বাঁকুড়ার সত্যকিঙ্কর সাহানা কবিতা এবং সাহিত্য ও ধর্মবিষয়ক রচনা লেখেন।[১৮][১৯][২০][১] ব্যক্তিত্ব বিভাগে প্রত্যেকের জীবনের এবং, যেখানে পাওয়া গেছে, সম্প্রদায়গত যোগসূত্রের উৎস দেওয়া আছে।

যৌথ আচার ও গ্রামের পারস্পরিক সম্পর্কেও ঐতিহ্য বেঁচে থাকে। যেমন ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা পূজা-র বিবরণে বিভিন্ন সমাজের অংশগ্রহণের মধ্যে আগুরীদের স্থানও দেখা যায়।[২১] সুপরিচিত মানুষের জীবনকথার পাশাপাশি দৈনন্দিন স্মৃতি সংরক্ষণেও এই সম্পর্কগুলি আমাদের উৎসাহিত করে।

ঐতিহ্যের পথে

এই ওয়েবসাইটে বাংলা বই, ঐতিহাসিক নথি ও গবেষণার ভিত্তিতে ইতিহাস, সংস্কৃতি, অঞ্চল ও জীবনচরিত একত্র করা হয়েছে। গবেষণা সংগ্রহে অচিন্ত্যকুমার দত্তের গবেষণা এবং বাংলার পরিবর্তনশীল সামাজিক জগৎ নিয়ে সুদর্শনা ভৌমিকের আলোচনা রয়েছে। রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়-এর বাংলা মূল ও ইংরেজি অনুবাদ পড়তে পারবেন; আছে নির্বাচিত রচনার পাঠসংগ্রহ। উগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি-র খণ্ডগুলি এই বৃহত্তর সমাজ-ইতিহাসের সহায়ক উপকরণ হিসেবে সংরক্ষিত।

আপনি পারিবারিক ইতিহাস খুঁজতে আসুন, গ্রামের স্মৃতি ফিরে দেখতে আসুন বা প্রথমবার আগুরী সমাজকে জানতে আসুন—আপনাকে স্বাগত। উপরে ডানদিকে ভাষা নির্বাচন করে বাংলা বা ইংরেজিতে পড়ুন। ছবি, নথি বা স্মৃতি ভাগ করে নিতে চাইলে সহযোগিতার নির্দেশিকা দেখুন।

আপনার যাত্রা শুরু হোক

বহু ধারা, এক সম্মিলিত ঐতিহ্য।

প্রকল্প সম্পর্কে ↗

জীবনচরিত সংগ্রহ থেকে

ইতিহাসের আড়ালে মানুষ।

সব জীবনচরিত পড়ুন ↗

ছবি: অজিতকুমার পাঁজা—লোকসভা, উইকিমিডিয়া কমন্সের মাধ্যমে (GODL–India); শক্তি সামন্ত—উইকিপিডিয়ার উল্লেখ অনুযায়ী Yahoo! Movies, স্বত্ব মূল স্বত্বাধিকারীর; রমাপদ চৌধুরী—Jahidmrr, উইকিমিডিয়া কমন্সের মাধ্যমে, CC BY-SA 4.0, এই প্রিভিউয়ের জন্য ছাঁটা। প্রতিটি জীবনচরিতের সঙ্গে ছবির পূর্ণ কৃতিত্ব, পুনর্ব্যবহারের তথ্য ও সম্প্রদায়গত পরিচয়ের উৎস রয়েছে।

পরিবার ও গ্রামের কথা

আগামী প্রজন্মকে কী দিয়ে যাব?

একটি পারিবারিক ছবি, বিদ্যালয়ের নথি, গ্রামের কাহিনি বা উৎসবের স্মৃতি আগুরী ঐতিহ্যকে নতুন দৃষ্টিতে দেখতে সাহায্য করে। প্রজন্মের পর প্রজন্মের জীবনকথা আরও সমৃদ্ধ করে তুলতে সহযোগিতা করুন।

এই সংগ্রহে সহযোগিতা করুন →

নতুন অনুসন্ধানের পথ

গবেষণার বিষয়

নগদী-উৎপত্তির অনুমান, বর্ধমানের নথি, কুলপঞ্জিকা, মৌখিক ইতিহাস ও আজকের সমাজে বৈষম্য নিয়ে গবেষণার প্রশ্ন।

আরও জানতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য

ইতিহাসের সহায়ক উপকরণ

সব উপকরণ দেখুন →

টীকা ও উৎস

  1. অচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Prosperity, Dominance, and Social Mobility: Emergence of a Mobile Caste in Colonial Southwest Bengal” (২০২৩), পৃ. ২৯৭–৩২৪. দেওয়া বইয়ে সম্পূর্ণ অধ্যায়, অন্ত্যটীকা ও গ্রন্থপঞ্জি সরাসরি পড়া হয়েছে। উল্লেখে মুদ্রিত পৃষ্ঠাসংখ্যা ব্যবহৃত। উৎপত্তির অনুমান লেখকের মত হিসেবেই রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের বইয়ের নথি খুলবে। উৎসের বিবরণ
  2. সুদর্শনা ভৌমিক, The Changing World of Caste and Hierarchy in Bengal: Depiction from the Mangalkavyas c. 1700–1931 (২০২৩). দেওয়া বইয়ের প্রতিটি আগুরী ও উগ্রক্ষত্রিয় অংশ পূর্ণপাঠ অনুসন্ধানে খুঁজে প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে; বইয়ের বাকি অংশ পর্যালোচিত নয়। রাজস্থান–মানসিংহের আগমনকাহিনি লেখকের বিবৃত ঐতিহ্য হিসেবে দত্তের অনিশ্চয়তার পাশে রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের নথি খুলবে। মনসা ও ধর্মঠাকুর-সংক্রান্ত অংশ ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে। উৎসের বিবরণ
  3. এইচ. এইচ. রিজলি, The Tribes and Castes of Bengal, প্রথম খণ্ড (১৮৯১), পৃ. ১২–১৩. ১৮৯১ সালে এক ঔপনিবেশিক লেখক কী লিখেছিলেন, তার সাক্ষ্য। লেখার জাতিগত ক্রম, উৎপত্তির অনুমান ও চরিত্রের বাঁধাধরা ধারণা এই প্রকল্প সমর্থন করে না। উৎসের বিবরণ
  4. জনসংখ্যা প্রক্ষেপণ বিষয়ক টেকনিক্যাল গ্রুপ, Population Projections for India and States, 2011–2036 (জাতীয় জনসংখ্যা কমিশন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক, ২০২০). PARI-র গ্রন্থাগারে প্রতিবেদনের বিবরণ দেখা হয়েছে। আগুরীদের সংখ্যাটি অনুমান, গণনা নয়: ১৯৩১ সালের পর তফসিলি জাতি ও জনজাতি ছাড়া অন্য জাতির গণনা হয়নি, এবং আত্মপরিচয়ের পরিবর্তন হিসাবে ধরা হয়নি। উৎসের বিবরণ
  5. ভারতের জনগণনা ২০১১, পশ্চিমবঙ্গ, সারণি A-2: ১৯০১ সাল থেকে জনসংখ্যার দশকওয়ারি পরিবর্তন. সারণিটি পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। জনগণনার মোট সংখ্যা ২০১১ সালের জেলাসীমা অনুযায়ী সমন্বিত, কিন্তু দত্তের সংখ্যা তৎকালীন সীমানা অনুসারে; তাই অনুপাতগুলি আনুমানিক। উৎসের বিবরণ
  6. চঞ্চল সরকার, “He was a man of the masses” — দ্য ট্রিবিউন, স্পেকট্রাম (২৫ জুন ২০০০). ৮ অক্টোবর ২০২৬ সরাসরি পড়া। কলামে তাঁকে “the senior most member of the West Bengal cabinet after Jyoti Basu” বলা হয়েছে; এটি শ্রদ্ধাঞ্জলি, মন্ত্রিসভায় পদমর্যাদার সরকারি নথি নয়। উৎসের বিবরণ
  7. বিমান বসু, হরেকৃষ্ণ কোঙারের জন্মশতবর্ষের স্মরণলেখা (২০১৪). পড়া দলীয় স্মরণলেখা; অসংগত কারাজীবনের তারিখ ও বয়স বাদ। উৎসের বিবরণ
  8. Hare Krishna Konar — উইকিপিডিয়া. নিবন্ধ পড়া হয়েছে ৬ অক্টোবর ২০২৬; সেলুলার জেল অংশ পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। নিবন্ধের কয়েকটি দাবির (ভাষাজ্ঞান, বিদেশি দলের সদস্যপদ) যথেষ্ট সূত্র নেই; সেগুলি ব্যবহার করা হয়নি। ১৯৩৭ সালের অনশনের বিবরণে নির্দিষ্ট তথ্যসূত্র নেই। উৎসের বিবরণ
  9. “হরেকৃষ্ণ শতবর্ষেই প্রয়াত বিনয় কোঙার” — আনন্দবাজার পত্রিকা (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪). বাংলা নিবন্ধ সরাসরি পড়ে সাইটের নিজস্ব ভাষায় সারাংশ লেখা হয়েছে। উৎসের বিবরণ
  10. নেহরু আর্কাইভ — যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা (১৮৮৬–১৯৬১). জীবনী-টীকা সরাসরি পড়া। সম্প্রদায়ের পরিচয় পৃথকভাবে দত্তের ৩১০ ও ৩১৪ পৃষ্ঠা থেকে সমর্থিত। উৎসের বিবরণ
  11. লোকসভা, শোকপ্রস্তাব, ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ — অজিতকুমার পাঁজা. সংসদীয় নথির সূচিবদ্ধ পাঠ দেখা হয়েছে। পর্যালোচনার সময় আর্কাইভের PDF সংযোগ মাঝেমধ্যে অপ্রাপ্য ছিল। উৎসের বিবরণ
  12. ডা. রণজিৎকুমার পাঁজা — দ্বাদশ লোকসভার জীবনচরিত. পুনঃপ্রকাশিত জীবনচরিত সরাসরি পড়া হয়েছে। এটি সেই সময়ের বিবরণ, সম্পূর্ণ পশ্চাৎদৃষ্টিমূলক জীবনী নয়। উৎসের বিবরণ
  13. Shashi Panja — উইকিপিডিয়া. নিবন্ধ পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। পাঁজা পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বিবাহসূত্রে; পদবি থেকে এই ওয়েবসাইট তাঁর নিজস্ব সম্প্রদায় অনুমান করে না। উৎসের বিবরণ
  14. “Aguri (caste)” — পরিচিতিমূলক নিবন্ধ ও গ্রন্থপঞ্জি. তালিকার সম্প্রদায়গত পরিচয় এই নিবন্ধের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখিত। জীবন ও কাজের পৃথক উৎস আছে; ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত সব বই দেখা হয়নি। উৎসের বিবরণ
  15. পশ্চিম বর্ধমান জেলা — বর্তমান নির্বাচনী কেন্দ্র ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের তালিকা. সরকারি তালিকাটি পড়া হয়েছে ৯ অক্টোবর ২০২৬। তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র ও দলের জন্য ব্যবহৃত; সম্প্রদায়-পরিচয় বা ভোটসংখ্যার প্রমাণ হিসেবে নয়। উৎসের বিবরণ
  16. প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো — পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ (৯ মে ২০২৬). সরকারি ঘোষণাটি পড়া হয়েছে ৯ অক্টোবর ২০২৬। ২০২৬ সালের মে মাসে তাঁর মন্ত্রিত্ব শুরু হওয়ার জন্য ব্যবহৃত; দপ্তর বণ্টন বা সম্প্রদায়-পরিচয়ের জন্য নয়। উৎসের বিবরণ
  17. দেবজ্যোতি চক্রবর্তী, “Burnpur to Brigade - Pupai traverses a long road” — ইউএনআই (৯ মে ২০২৬). প্রোফাইলটি পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। প্রকাশকের নতুন ঠিকানার পাতা ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ দেখা হয়েছে; সেখানে প্রকাশের তারিখ ৯ মে ২০২৬ এবং শুরুর অংশ দেখা যায়, সম্পূর্ণ পড়তে সাইন-ইন প্রয়োজন। তিনি বিবাহসূত্রে আগুরী পরিবারের সদস্য—এই তথ্য প্রকল্পের কর্ণধারের দেওয়া; পাল পরিবারের সম্প্রদায় সম্পর্কে কোনও প্রকাশিত সূত্র এখনও পাওয়া যায়নি। উৎসের বিবরণ
  18. যোগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, Hindu Castes and Sects (১৮৯৬), সূচিপত্র পৃ. x ও পৃ. ১৫৬–১৫৮. ভট্টাচার্যের শ্রেণিবিন্যাস ও বিবরণের সাক্ষ্য; সরকারি সেনা-নিয়োগ বা রেজিমেন্টের প্রমাণ নয়। জাতিগত ক্রম, শাস্ত্রীয় বংশসূত্র ও চরিত্রের সাধারণীকরণ ঐতিহাসিক দাবি, বর্তমান তথ্য নয়। অধ্যায়ে অনুবাদকের নাম “Kishori Mohan Ganguli”; জীবনচরিতে মহাভারত সংস্করণের প্রকাশকের ভূমিকা অনুসারে Kisari Mohan Ganguli ব্যবহার করা হয়েছে। উৎসের বিবরণ
  19. শক্তি সামন্ত — শক্তি ফিল্মস / আরাধনা ফিল্মসের জীবনচরিত. ১৯২৫ জন্মসাল অন্যত্র প্রচলিত ১৯২৬-এর সঙ্গে মেলে না; জীবনচরিতে তা বাদ। অমানুষ-এর কথিত শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কারের ভাষা ও বিভাগ অনির্ধারিত থাকায় ব্যবহার করা হয়নি। স্টুডিওর প্রতিকৃতি নেওয়া হয়নি। উৎসের বিবরণ
  20. রমাপদ চৌধুরী — জীবনচরিতের তথ্যসূত্র. শুধু জীবন ও সাহিত্যকর্মের জন্য; এই জীবনচরিত আগুরী পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে না। উৎসের বিবরণ
  21. তরুণ চক্রবর্তী, “শরতের দুর্গোৎসবেও জলমগ্ন থাকেন ক্ষীরগ্রামের দশভুজা” — আনন্দবাজার পত্রিকা (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩). বাংলা নিবন্ধ সরাসরি পড়া হয়েছে। রাজাদের কালক্রমের অসংগতি ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি। উৎসের বিবরণ

ঐতিহ্য প্রকল্পে খুঁজুন

শুরু করতে একটি শব্দ বা বাক্যাংশ লিখুন।

সাময়িকপত্রের ভিতরের বাংলা লেখার জন্য ব্যবহার করুন সাময়িকপত্রের পাঠাগার.