বাংলা কথাসাহিত্য · সম্পাদনা · চলচ্চিত্র
জীবন ও কাজ
১৯২২–২০১৮ · ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও সম্পাদক[১]
খড়্গপুরে জন্ম নেওয়া রমাপদ চৌধুরী আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যে স্বতন্ত্র কণ্ঠ হয়ে ওঠেন। ১৯৪০ সালে লেখেন প্রথম গল্প ট্র্যাজেডি।[২] প্রথম উপন্যাস প্রথম প্রহর প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ সালে; ১৯৬০ সালে বনপলাশীর পদাবলী তাঁকে বৃহত্তর পরিচিতি দেয়।[১]
কর্মজীবনের গোড়ায় পত্রনবীশ ও অর্জুন রায় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ফিচার লিখে জমানো অর্থে প্রকাশ করেন প্রথম তিনটি গল্পগ্রন্থ। পরে আনন্দবাজার পত্রিকা-র রবিবাসরীয় ও পুজো সংখ্যা সম্পাদনা করেন; দিব্যেন্দু পালিতের মতো লেখকদের উৎসাহ দেন।[২] নিজের উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনার পাশাপাশি চলেছে তাঁর দীর্ঘ সম্পাদকজীবন।[৩]
তাঁর কথাসাহিত্যে সাধারণ জীবন, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক পরিবর্তনের চাপ ধরা পড়ে। জন্মশতবর্ষের প্রবন্ধে তিলোত্তমা মজুমদার তাঁর সংযত গদ্য এবং মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের প্রতি মনোযোগের কথা বলেছেন। নবীন লেখকদের নিঃশব্দে আত্মবিশ্বাস জোগানো এক কঠোর সম্পাদকের কথাও তিনি স্মরণ করেছেন।[৪]
এখনই-এর জন্য ১৯৭১ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার এবং বাড়ি বদলে যায়-এর জন্য ১৯৮৮ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান।[১][৫] তাঁর গল্প চলচ্চিত্রেও পৌঁছেছে: মৃণাল সেন খারিজ অবলম্বনে ছবি করেন; তপন সিংহের এক ডক্টর কি মওত-এর ভিত্তি অভিমন্যু।[১]
প্রকল্পের মালিকের পরামর্শে অন্তর্ভুক্ত। উদ্ধৃত জীবনচরিতগুলি তাঁর সাহিত্যজীবন নথিভুক্ত করে; আগুরী / উগ্রক্ষত্রিয় পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে না।

