চর্মরোগবিদ্যা · চিকিৎসা গবেষণা · সম্পাদনা
জীবন ও কাজ
১৮৯১–১৯৫৯ · ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ডার্মাটোলজির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক
গণপতি পাঁজা ছিলেন কলকাতার স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ও জীবাণুবিদ। ১৯২১ সালে তিনি সেখানে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৩২ সালে রকফেলার বৃত্তি নিয়ে জীবাণুবিজ্ঞানে গবেষণার জন্য লন্ডনে যান।[১]
সেবোরিক ডার্মাটাইটিস ও ম্যালাসেজিয়া ছিল তাঁর গবেষণার বিষয়। ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ডার্মাটোলজি-র ইতিহাসে কলকাতার এই প্রতিষ্ঠানে চর্মরোগবিদ্যার বিকাশে হিউ ডব্লিউ অ্যাক্টনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকার উল্লেখ আছে। ১৯৫৫ সালে তিনি পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হন এবং ১৯৫৯ সালে মৃত্যু পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।[২]
নিজের গ্রাম মাজিগ্রামের শিক্ষাবিস্তারেও তিনি উদ্যোগী ছিলেন। বাবা-মায়ের স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয় ও বিনোদবিহারী পাঁজা নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়।[১] তাঁর ছোট ভাই ধনপতি পাঁজা-ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হন।[১][৩]
অচিন্ত্যকুমার দত্ত সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট বিদ্বজ্জনদের আলোচনায় মাঝিগ্রামের গণপতি পাঁজার নাম উল্লেখ করেছেন, পৃ. ৩১৩–৩১৪।[৪]

