কৃষক রাজনীতি · রাজনৈতিক লেখালেখি
জীবন ও কাজ
১৯৩০–২০১৪ · কৃষক সংগঠক ও বিধায়ক
বিনয়কৃষ্ণ কোঙার ছিলেন হরেকৃষ্ণ কোঙারের ছোট ভাই। পঞ্চাশের দশকে বর্ধমানের আন্দোলনে তাঁর রাজনৈতিক কাজ শুরু; গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনেও থাকতে হয়।[১] মেমারি অঞ্চলের কৃষক আন্দোলন থেকে উঠে এসে ১৯৬৯, ১৯৭১ ও ১৯৭৭ সালের নির্বাচনের পরে তিনি ওই কেন্দ্রের বিধায়ক হন।[২][৩]
তিনি রাজ্য কৃষকসভার নেতা এবং সারা ভারত কৃষকসভার সভাপতি হন। আনন্দবাজার পত্রিকা-র শোকলেখায় তাঁর দীর্ঘ সাংগঠনিক জীবনের পাশাপাশি সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্কও নথিভুক্ত রয়েছে।[৩]
তাঁর স্ত্রী মহারানি কোঙারও বিধানসভায় মেমারির প্রতিনিধিত্ব করেন। মৃত্যুর পরে তাঁদের ছেলে সুকান্ত সংবাদপত্রকে জানান, কোঙারের চোখ দান করা হয়েছে এবং দেহ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।[১]
তাঁর বাংলা প্রবন্ধ ও স্মৃতিচারণ ন্যাশনাল বুক এজেন্সি প্রকাশিত নির্বাচিত রাজনৈতিক প্রবন্ধ, স্মৃতি ও স্মরণ-এ সংগৃহীত। প্রকাশকের তালিকা থেকে বইটির পরিচয় জানা যায়; এর বিষয়বস্তু এখানে স্বাধীনভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি।[৪]
এই ব্যক্তির নাম উইকিপিডিয়ার আগুরী নিবন্ধের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছে। জীবনীতে ব্যবহৃত সূত্রগুলি তাঁর জীবন ও কাজের বিবরণ দেয়।[৫]

