সামাজিক ঐতিহ্যের একটি স্বতন্ত্র প্রকল্প

ঐতিহ্য প্রকল্পউৎসসমূহ

আগুরী ঐতিহ্যের সহায়ক উপকরণ

সমাজের ইতিহাসের ভিত্তি: বই, গবেষণা, জীবনচরিত, সাময়িকপত্র ও অনূদিত রচনা।

সর্বশেষ হালনাগাদ:

মূল উৎস থেকে

উগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধির প্রথম খণ্ডের মূল বাংলা সূচিপত্র।
পত্রিকার সূচিপত্রউগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি · প্রথম খণ্ডমূল পাতা বড় করে দেখুন পত্রিকা দেখুন
এই পাতার সূত্র উল্লেখ করুন

আগুরী ঐতিহ্য. “আগুরী ঐতিহ্যের সহায়ক উপকরণ.” সর্বশেষ হালনাগাদ: . https://aguri-heritage.in/bn/bibliography.

এই পাতার সূত্র উল্লেখ করলেই তা পুনঃপ্রকাশের অনুমতি পাওয়া যায় না। স্বত্ব ও পুনর্ব্যবহার.

ঐতিহাসিক বইরাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়বাংলা মূল অথবা ৯৮ পাতার ইংরেজি অনুবাদ পড়ুন।মূল পাঠ ও অনুবাদনির্বাচিত রচনাএকটি ইতিহাসগ্রন্থ, নির্বাচিত প্রবন্ধ, ভূমিকা ও সমালোচনা—বাংলা উৎস-সহ।সাময়িকপত্রউগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধিঐতিহাসিক গবেষণার উপকরণ হিসেবে সংরক্ষিত দুটি খণ্ড পড়ুন।

নতুন অনুসন্ধানের পথ

গবেষণার বিষয়

নগদী-উৎপত্তির অনুমান, বর্ধমানের নথি, কুলপঞ্জিকা, মৌখিক ইতিহাস ও আজকের সমাজে বৈষম্য নিয়ে গবেষণার প্রশ্ন।

আগুরী সমাজ সম্পর্কে এই ওয়েবসাইটের বিবরণের ভিত্তি যে বই, গবেষণা, জীবনচরিত ও ঐতিহাসিক প্রকাশনা, সেগুলির পরিচয় এখানে পাবেন।

উৎসের পরিচয়চিহ্ন

মূল বাংলা সাময়িকপত্র সমাজের নিজস্ব প্রকাশনা বোঝায়। ঔপনিবেশিক নৃতাত্ত্বিক বিবরণ তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে বাইরের শ্রেণিবিন্যাস তুলে ধরে। গবেষণা নির্দিষ্ট লেখকের গবেষণাকর্ম নির্দেশ করে।

চিহ্নগুলি সাক্ষ্যের ধরন এবং আমরা কতখানি দেখেছি তা বোঝায়; সত্যতার সরল ক্রম নয়। মূল প্রকাশনাতেও যুক্তি, ভুল, আকাঙ্ক্ষা বা পক্ষপাত থাকতে পারে। লেখকের অবস্থান বোঝা তাই পাঠের অংশ।

গবেষণায় আগুরী ইতিহাস

উৎপত্তি, উদ্যোগ, ভূমিস্বত্ব ও সামাজিক সংস্কারের আলোচনায় এই দুটি বই ব্যবহৃত হয়েছে। সাইটে উদ্ধৃত পৃষ্ঠাসংখ্যা বইয়ের মুদ্রিত পৃষ্ঠার।

অচিন্ত্যকুমার দত্ত · ২০২৩

সমৃদ্ধি, আধিপত্য ও সামাজিক গতিশীলতা

Explorations in Colonial Bengal-এর “Prosperity, Dominance, and Social Mobility” অধ্যায়টি আগুরী / উগ্রক্ষত্রিয় ইতিহাস নিয়ে, পৃ. ২৯৭–৩২৪। চারটি প্রধান অংশে জাতিগত অবস্থান (পৃ. ২৯৯–৩০৬), সমৃদ্ধি ও ক্ষমতা (পৃ. ৩০৬–৩১১), সামাজিক-সাংস্কৃতিক কাজ (পৃ. ৩১১–৩১৪) এবং সামাজিক গতিশীলতা (পৃ. ৩১৪–৩১৯) আলোচনা করা হয়েছে। সম্পূর্ণ অধ্যায় ও টীকা দেখা হয়েছে।[১]

অধ্যায়ে ২০১১ সালে প্রকাশিত পূর্ববর্তী সংস্করণের উল্লেখ আছে। ২০২৩-এর প্রকাশনাকে সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্রসমীক্ষা ভাবা উচিত নয়।

উদ্যোগ, জমি ও সামাজিক পরিবর্তন পড়ুন ↗পূর্ণ উদ্ধৃতি ও প্রাপ্তির তথ্য ↓
সুদর্শনা ভৌমিক · মুদ্রিত প্রকাশকাল ২০২৩

The Changing World of Caste and Hierarchy in Bengal

সাহিত্য ও ঐতিহাসিক নথির সাহায্যে বাংলার সামাজিক সংগঠনের বিস্তৃত ইতিহাস। আগুরী-সংক্রান্ত অংশে রাঢ়, গোপভূম ও জনা/সুতা বিভাজন (পৃ. ৪৮–৪৯), বর্ধমান জমিদারি (পৃ. ১৭৮), ভূমিস্বত্ব (পৃ. ১৯৮), ১৮৭২-এর জনগণনা (পৃ. ২৩২) এবং পরিবর্তনশীল পরিচয়, উপবীত ও শ্রেণিবিন্যাস (পৃ. ২৪২–২৫২) আলোচিত। দেখা পৃষ্ঠাগুলি উৎসতালিকায় আছে।[২]

ভৌমিক রাজস্থান ও মানসিংহকে ঘিরে অভিবাসনের ঐতিহ্য বলেছেন; দত্ত উৎপত্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা রেখেছেন। পাশাপাশি পড়লে তাঁদের ব্যাখ্যার পার্থক্য বোঝা যায়।

উৎপত্তির বিবরণ তুলনা করুন ↗সামাজিক সংস্কার সম্পর্কে পড়ুন ↗পূর্ণ উদ্ধৃতি ও প্রাপ্তির তথ্য ↓
মাসাহিকো তোগাওয়া · ২০০৬

An Abode of the Goddess

ক্ষীরগ্রাম ও তার যোগাদ্যা মন্দির নিয়ে একটি নৃতাত্ত্বিক গবেষণা, ১৯৯৪–৯৫ সালের ক্ষেত্রসমীক্ষার ভিত্তিতে এবং প্রথমে ১৯৯৬ সালে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাপত্র হিসেবে লেখা। এতে উগ্রক্ষত্রিয়দের নয়টি বংশ, বর্ধমানের মহারাজার দেওয়া তাদের সেবাজমি, মন্দিরের আচারবর্ষে তাদের স্থান, বংশভিত্তিক দুর্গাপূজা এবং একটি রায়চৌধুরী বংশতালিকার বিবরণ আছে।[৩]

একটিমাত্র গ্রাম, একটি সময়ের দৃষ্টিতে; তবু আগুরী বংশ, ব্রাহ্মণ পুরোহিত, বাগদি সেবক ও রাজ কীভাবে একসূত্রে বাঁধা ছিল, তার এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে কাছের ছবি।

মন্দিরের আচার সম্পর্কে পড়ুন ↗ক্ষীরগ্রামের পরিবারগুলির কথা পড়ুন ↗পূর্ণ তথ্যসূত্র ও প্রাপ্যতা ↓
আরিল্ড এঙ্গেলসেন রুড · ২০০৩

Poetics of Village Politics

দক্ষিণ দামোদরের রায়নার দুটি গ্রামের রাজনৈতিক নৃতত্ত্ব, ১৯৯২–৯৩ সালে কাল্পনিক নামে পর্যবেক্ষিত। একটি গ্রামে আগুরীরা ছিলেন প্রভাবশালী জাতি; রুড তাঁদের ভূস্বামিত্ব, গ্রামনেতৃত্ব ও বাগদি নেতাদের সঙ্গে জোট এবং সিপিআই(এম)-এর আগমনের বিবরণ দিয়েছেন।[৪]

বিংশ শতকের পারিবারিক ইতিহাস এবং রায়নায় দাশরথি তা ও বিনয় চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবন বোঝার জন্য উপযোগী।

রায়নার গ্রামচিত্র পড়ুন ↗দাশরথি তা-র কথা পড়ুন ↗পূর্ণ তথ্যসূত্র ও প্রাপ্যতা ↓

বাংলা পাঠের তাক

বাংলা বই ও প্রকাশনা দুই ভাষার নিবন্ধেরই ভিত্তি। শুরু করতে পারেন এই চারটি দিয়ে। নিচের তালিকায় কোন পাতা বা নথি দেখা হয়েছে তা রয়েছে।

সমাজের ইতিহাস · ১৯৪০

রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়

হরিচরণ বন্ধু সংকলিত দ্বিতীয় সংস্করণ। ইংরেজি অনুবাদে প্রারম্ভিক অংশ, নয়টি অধ্যায় ও উপসংহারের সংরক্ষিত অংশ রয়েছে। ডিজিটাল মূল কপিতে দুটি মুদ্রিত পাতা নেই।

বাংলা মূল বই পড়ুন ↗ইংরেজি অনুবাদ পড়ুন ↗প্রকাশকের নিবেদন ↗লেখকের ভূমিকা ↗ডিজিটাল বাংলা বইয়ের নথি ↗
গ্রন্থ-সমালোচনা · মাঘ ১৩২১ / ১৯১৫

প্রবাসী

রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়-এর পূর্ববর্তী সংস্করণের সমসাময়িক সমালোচনা, মুদ্রিত পৃ. ৪৭০–৪৭১। দুটি স্ক্যান করা পাতাই চোখে দেখে পরীক্ষা করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ সমালোচনা ও অনুবাদ দেখুন ↗প্রথম বাংলা মূল পাতা ↗দ্বিতীয় পাতা ↗
পদবি ও সামাজিক ইতিহাস

আমাদের পদবীর ইতিহাস

লোকেশ্বর বসুর গ্রন্থ। শুধু পদবি থেকে কেন সমাজের পরিচয় নির্ধারণ করা যায় না, তা বুঝতে অনলাইন ভূমিকা সহায়ক। মুদ্রিত সংস্করণ দেখা হয়নি।

আলোচনাটি পড়ুন ↗বাংলা ভূমিকা পড়ুন ↗
রাজনৈতিক প্রবন্ধ ও স্মৃতিচারণ

নির্বাচিত রাজনৈতিক প্রবন্ধ, স্মৃতি ও স্মরণ

বিনয় কোঙারের রচনা; প্রকাশক ন্যাশনাল বুক এজেন্সি। প্রকাশকের তালিকার ভিত্তিতে আরও পড়ার সুপারিশ; এই সংস্করণের জন্য পুরো বই পড়া হয়নি।

বিনয়কৃষ্ণ কোঙারের পরিচয় ↗প্রকাশকের নথি দেখুন ↗

যোগাদ্যা পূজার বিবরণ এবং জীবনচরিত সংগ্রহেও বাংলা প্রতিবেদন ব্যবহৃত হয়েছে। প্রাসঙ্গিক অংশের পাশে উৎস রয়েছে; সারাংশগুলি এই সাইটের ভাষায় লেখা।

উৎসতালিকা

১৩১টি উৎস

মূল বাংলা সাময়িকপত্র

উগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি, প্রথম খণ্ড (১২৯৮ বঙ্গাব্দ)

মালিকের দেওয়া Ugrakshatriya_Pratinidhi_Vol_01.pdf। ১৭৫টি PDF ছবি, অধিকাংশে জোড়া পাতা। প্রচ্ছদ ও প্রারম্ভিক সূচিপত্র সরাসরি দেখা হয়েছে। ১২৯৮ বঙ্গাব্দ ১৮৯১–৯২ জুড়ে; বৈশাখ ১২৯৮ আনুমানিক এপ্রিল–মে ১৮৯১।

মালিকের দেওয়া PDF। সম্পূর্ণ তড়িৎ প্রবন্ধ (মুদ্রিত পৃ. ১২–২৩) ও প্রথম সম্পাদকীয়ের সূচনাপৃষ্ঠা স্ক্যানের সঙ্গে মিলিয়ে অনূদিত; নির্বাচিত পাঠ-টীকাও আছে। বাংলা যন্ত্রপাঠ অযাচাইকৃত। সংস্কৃতি পাতায় উদ্ধৃত শিরোনাম ও লেখকের নামের জন্য সূচিপত্র (স্ক্যান ২–৩) ৮ অক্টোবর ২০২৬-এ ছবির সঙ্গে আবার মেলানো হয়েছে।

প্রথম খণ্ড পড়ুন
মূল বাংলা সাময়িকপত্র

উগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি, দ্বিতীয় খণ্ড (১২৯৯ বঙ্গাব্দ)

মালিকের দেওয়া Ugrakshatriya_Pratinidhi_Vol_02.pdf। ১৬৭টি PDF ছবি, অধিকাংশে জোড়া পাতা। প্রথম ছবিতে দ্বিতীয় খণ্ড ও ১২৯৯ (১৮৯২–৯৩) সালের চিহ্ন এবং প্রতিনিধির আত্মকথার শুরু রয়েছে। ১৭–১৮ শ্রাবণ ১২৯৯-এ অনুষ্ঠিত উগ্রক্ষত্রিয় সমিতির ষষ্ঠ অধিবেশনের বিবরণে (মুদ্রিত পৃ. ১০৪–১০৫, স্ক্যান ৫৩) উপস্থিত তেরোজন সভ্যের নাম, সমিতির পাঁচটি উদ্দেশ্য, সম্পাদক ও স্বত্বাধিকারী শ্রীশচন্দ্র তা-র কাছ থেকে পত্রিকার হস্তান্তর এবং রিজলির বিবরণের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব আছে।

মালিকের দেওয়া PDF। সম্পূর্ণ প্রতিনিধির আত্মকথা (মুদ্রিত পৃ. ১–৫) স্ক্যান মিলিয়ে অনূদিত। বাংলা যন্ত্রপাঠ অযাচাইকৃত; খণ্ডটির অধিকাংশ অনূদিত নয়। সমিতির বিবরণ ৮ অক্টোবর ২০২৬-এ স্ক্যানের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পড়া হয়েছে; সম্পূর্ণ অনুবাদ হয়নি।

দ্বিতীয় খণ্ড পড়ুন
ঔপনিবেশিক নৃতাত্ত্বিক বিবরণ

এইচ. এইচ. রিজলি, The Tribes and Castes of Bengal, প্রথম খণ্ড (১৮৯১), পৃ. ১২–১৩

ডিজিটাল মূল খণ্ডের আগুরী ভুক্তি: কৃষি ও বাণিজ্য, সাতটি উপবিভাগ, বিবাহবিভাগ, আচার এবং ঐতিহাসিক ভৌগোলিক বণ্টনের সারণি। ইন্টারনেট আর্কাইভ পরিচয় TheTribesAndCastesOfBengal। যন্ত্রপাঠ সরাসরি দেখা হয়েছে; ভেঙে যাওয়া সারণি থেকে জনগণনার সংখ্যা নেওয়া হয়নি।

১৮৯১ সালে এক ঔপনিবেশিক লেখক কী লিখেছিলেন, তার সাক্ষ্য। লেখার জাতিগত ক্রম, উৎপত্তির অনুমান ও চরিত্রের বাঁধাধরা ধারণা এই প্রকল্প সমর্থন করে না।

মূল উৎস দেখুন
ইতিহাস গবেষণা

জন আর. ম্যাকলেন, Land and Local Kingship in Eighteenth-Century Bengal (১৯৯৩)

কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, Cambridge South Asian Studies 53। প্রভাবশালী কৃষকদের গ্রামীণ “গোষ্ঠীতন্ত্র”, “সাধারণত আগুরী, কৈবর্ত বা সদগোপ” (পৃ. ৫৪–৫৫); “বর্ধমানের রাজার নগদী বা নগদ বেতনভোগী সেনাবাহিনী”, যার বেতন ১৭৬১–৬৭ সালে প্রায় ৪ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ টাকার সামান্য বেশিতে নামে, এবং ১৭৬০-এর দশকের ৩২,০৩২ জন জমি-নির্ভর কর্মীর সারণি (পৃ. ১১৭–১১৮); ষষ্ঠ অধ্যায় “Mughal Burdwan and the rise of the Burdwan raj” (পৃ. ১২৫–১৩৮): মুঘল সেনানিবাস-শহর বর্ধমান, রাজপরিবারের খত্রী উৎস, আবু রায়ের নিয়োগ (পৃ. ১৩৪), কৃষ্ণরাম রায়ের ১৬৯৫–৯৬ সালের ফরমান (পৃ. ১৩৭) ও ১৬৯৬–৯৭-এর বিদ্রোহ (পৃ. ১২৯); গোপভূম, ওল্ডহ্যামের খত্রী–সদগোপ তত্ত্ব ও আগুরী (পৃ. ১৫৭–১৬০); রাজার বেতন-না-পাওয়া সৈন্য ও ২৯ ডিসেম্বর ১৭৬০-এর যুদ্ধ (পৃ. ১৮৩–১৮৫); জনস্টোনের বেতন-খরচ ছাঁটাই এবং ১৭৬৭-তে “নগদী বা গৃহরক্ষী বাহিনী” ১,৪৮৭ থেকে ৮৩৯ জনে নামানো (পৃ. ১৯২); ১৭৮৭-তে কিনলকের হাতে জমিদারি সৈন্য অর্ধেক হয়ে ১,০০০ (পৃ. ২৬৩); ১৭৯৪ সালে ১৭,৩৮৪ জন গ্রাম্য পাইক (পৃ. ২৭১)।

সম্পূর্ণ কেমব্রিজ পিডিএফ থেকে সরাসরি পড়া হয়েছে (অক্টোবর ২০২৬): পৃ. ৫৪–৫৫, ১১৭–১১৮, ১২৫–১৩৮, ১৫৭–১৬০, ১৮৩–১৮৫, ১৯২, ২৬৩ ও ২৭১। ম্যাকলেন ১৫৮৯ সালের বলে তারিখ দেওয়া এবং ডিমক ও ইনডেনের অনুবাদে উদ্ধৃত চণ্ডীমঙ্গল ব্যবহার করে আগুরীদের বর্ধমানে খত্রীদের চেয়ে প্রাচীন বলে গণ্য করেন; এই পাঠ ও তার সীমাবদ্ধতা উৎপত্তি-পাতায় লেখা আছে। ম্যাকলেন আগুরীদের রাজের নগদী (নগদ বেতনভোগী) সেনাবাহিনী বা অন্য কোনও বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত করেননি।

মূল উৎস দেখুন
পিএইচডি গবেষণাপত্র · সম্পূর্ণ পড়া

সন্তোষকুমার চক্রবর্তী, The History of the Relations of the Rajas of Burdwan and the East India Company during 1760–1832 (১৯৭০)

পিএইচডি গবেষণাপত্র, ইতিহাস বিভাগ, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭০; তত্ত্বাবধায়ক এস. বি. চৌধুরী। শোধগঙ্গা, CC BY-NC 4.0। ১৬৯৬-এর বিদ্রোহসহ ঐতিহাসিক পটভূমি (পৃ. ৪–১৬); ক্যাপ্টেন হোয়াইটের চিঠি অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বর ১৭৬০-এ বাঁকা নদীর পারঘাটের যুদ্ধ (পৃ. ২২–২৪); ১৭৬৬ সালে রাজার জমির বিনিময়ে নিযুক্ত ৩২,০৩১ জন কর্মী (পৃ. ১৬২); ১ অক্টোবর ১৭৭৭-এর দেওয়ানের আবেদন অনুযায়ী ১৭৬১–৬৭ সালে “নগদী” বা গৃহরক্ষী সৈন্যদের মাসিক বরাদ্দ (পৃ. ১৬৩); ১৭৬৭ সালের ১,৪৮৭ জনের বাহিনী, ছাঁটাই ও বহাল সৈন্যসহ (পৃ. ১৬৪–১৬৫); ১৭৮৭ সালের মার্চে বাহিনীর বিলুপ্তি (পৃ. ১৭৭); এবং বর্ধমান জমিদারিতে পত্তনি ব্যবস্থা (চতুর্থ অধ্যায়, পৃ. ১২৩–১৫৪)। ম্যাকলেন (১৯৯৩) একে Chakrabarti, “History” নামে উদ্ধৃত করেছেন।

অক্টোবর ২০২৬-এ শোধগঙ্গার পিডিএফের পাঠ্যস্তর থেকে সম্পূর্ণ পড়া হয়েছে; সংখ্যা ও পৃষ্ঠা সেই পাঠের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। রাজার কোনও সৈন্যের জাতি বা উৎপত্তির উল্লেখ এই গবেষণাপত্রে নেই।

শোধগঙ্গায় গবেষণাপত্র
নৃতত্ত্ব · প্রিভিউ পড়া হয়েছে

কাঞ্চন মুখোপাধ্যায়, Uneven Terrain: Society and Foodways in Rarh Bengal (২০২৬)

রুটলেজ, ২০২৬ (© অ্যানথ্রোপলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া)। ISBN 9781041033073; DOI 10.4324/9781003625667। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও বীরভূমের চারটি রাঢ় গ্রামে খাদ্য ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে নৃতাত্ত্বিক গবেষণা। ভূমিকায় পোর্টারের ১৯৩১ সালের জনগণনা প্রতিবেদন (পৃ. ২৩০–২৪২) উদ্ধৃত করে “সদগোপ, গোয়ালা ও আগুরী”-র মতো কৃষিজীবী জাতিগুলিকে অবিভক্ত বর্ধমান ও বীরভূমের কিছু অংশে চিহ্নিত করা হয়েছে (পৃ. ৭)।

কেবল প্রকাশকের প্রিভিউ (প্রারম্ভিক অংশ, প্রথম অধ্যায় ও গ্রন্থপঞ্জি) পড়া হয়েছে। আগুরীদের একমাত্র উল্লেখটি একটি আঞ্চলিক জনগণনা-পর্যবেক্ষণ; চারটি গবেষণা-গ্রামের কোনওটিই বর্ধমানে নয়।

প্রকাশকের DOI রেকর্ড
ইতিহাস গবেষণা

অচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Rice trade in the ‘rice bowl of Bengal’: Burdwan 1880–1947” (২০১২)

The Indian Economic & Social History Review 49(1), পৃ. ৭৩–১০৪। সারাংশে পরিবহণ, বাজারের প্রসার, চালের ব্যবসায়ী ও কলমালিকদের আলোচনা আছে। গ্রন্থপঞ্জিতে উগ্রক্ষত্রিয়-প্রতিনিধি, প্রথম বর্ষ, প্রথম খণ্ড, ১২৯৮ বঙ্গাব্দ এবং পৃথক উগ্রক্ষত্রিয় পত্রিকা, ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের উল্লেখ রয়েছে।

প্রকাশকের সারাংশ ও গ্রন্থপঞ্জি দেখা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রবন্ধ পড়তে প্রবেশাধিকার প্রয়োজন; না-পড়া অংশ থেকে জাতিসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আরোপ করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
ইতিহাস গবেষণা · অধ্যায় পড়া হয়েছে

অচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Prosperity, Dominance, and Social Mobility: Emergence of a Mobile Caste in Colonial Southwest Bengal” (২০২৩), পৃ. ২৯৭–৩২৪

অচিন্ত্যকুমার দত্ত সম্পাদিত Explorations in Colonial Bengal: Essays on Religion, Society, and Culture-এর ১৩ অধ্যায়। হায়দরাবাদ: ওরিয়েন্ট ব্ল্যাকসোয়ান, ২০২৩। ISBN 9789354425134। উৎপত্তি ও সৈনিকবৃত্তি: পৃ. ২৯৯–৩০৩; জনসংখ্যা: ৩০৫–৩০৬; উদ্যোগ ও ভূমিস্বত্ব: ৩০৬–৩১১; আঙ্গুনার হাজরা পরিবার: ৩০৮–৩০৯; সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব: ৩১১–৩১৪; পরিচয় ও মর্যাদা: ৩১৪–৩১৯। প্রথম পাদটীকায় ২০১১-এর পূর্ববর্তী সংস্করণের উল্লেখ।

দেওয়া বইয়ে সম্পূর্ণ অধ্যায়, অন্ত্যটীকা ও গ্রন্থপঞ্জি সরাসরি পড়া হয়েছে। উল্লেখে মুদ্রিত পৃষ্ঠাসংখ্যা ব্যবহৃত। উৎপত্তির অনুমান লেখকের মত হিসেবেই রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের বইয়ের নথি খুলবে।

প্রকাশকের বইয়ের নথি
ইতিহাস গবেষণা · নির্বাচিত অংশ পড়া হয়েছে

সুদর্শনা ভৌমিক, The Changing World of Caste and Hierarchy in Bengal: Depiction from the Mangalkavyas c. 1700–1931 (২০২৩)

রাউটলেজ, প্রথম প্রকাশ ২০২৩ (মুদ্রণ-পৃষ্ঠা অনুযায়ী)। ISBN 9780367557553; DOI 10.4324/9781003146186। সাহিত্যিক উল্লেখ, বসতির ঐতিহ্য, গোপভূম ও জনা/সুতা: পৃ. ৪৮–৪৯, সঙ্গে পৃ. ৬৫-এর টীকা ১৩৪; প্রভাবশালী কৃষিজীবী জাতি ও বর্ধমান জমিদারি: ১৬৬, ১৭৮; ভূমিস্বত্ব ও পত্তনি: ১৯৮; ১৮৭২-এর জনগণনার বিবরণ: ২৩২; পরিচয়, উপবীত, কৌলীন্য, জনগণনার দাবি ও উপবিভাগের সংস্কার: ২৪২, ২৪৪, ২৪৭, ২৫২। মনসা, ধর্মঠাকুর ও গাজন: পৃ. ৫২, ৭৪, ৮০, ৮২।

দেওয়া বইয়ের প্রতিটি আগুরী ও উগ্রক্ষত্রিয় অংশ পূর্ণপাঠ অনুসন্ধানে খুঁজে প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে; বইয়ের বাকি অংশ পর্যালোচিত নয়। রাজস্থান–মানসিংহের আগমনকাহিনি লেখকের বিবৃত ঐতিহ্য হিসেবে দত্তের অনিশ্চয়তার পাশে রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের নথি খুলবে। মনসা ও ধর্মঠাকুর-সংক্রান্ত অংশ ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে।

প্রকাশকের বইয়ের নথি
জেলা প্রশাসন

পূর্ব বর্ধমান জেলা: ইতিহাস ও পটভূমি

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জেলা ইতিহাস। আবু রায়ের ১৬৫৭-এর নিয়োগ ও বর্ধমান রাজের প্রেক্ষাপটের জন্য ব্যবহৃত; আগুরীদের বংশপরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে নয়।

ওয়েবপাতা দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। আঞ্চলিক ইতিহাস ও সমাজের ইতিহাস পৃথক রাখা হয়েছে।

মূল উৎস দেখুন
জেলা প্রশাসন

পূর্ব বর্ধমান জেলা: ভূগোল

পার্শ্ববর্তী জেলা, নদী ও ভূপ্রকৃতির সরকারি বিবরণ। পলিসমভূমি এবং ল্যাটেরাইট অঞ্চল—দুই-ই বর্ণিত; অঞ্চলটিকে শুধু লাল মাটির উঁচুভূমি বলে দেখা উচিত নয়।

ওয়েবপাতা দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ভূপ্রকৃতি ও বর্তমান ভৌগোলিক পরিচয়ের জন্য ব্যবহৃত।

মূল উৎস দেখুন
জেলা প্রশাসন

পশ্চিম বর্ধমান জেলা: ইতিহাস

সরকারি জেলা বিবরণে ৭ এপ্রিল ২০১৭-এ পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের সৃষ্টি এবং অজয় ও দামোদরের মধ্যবর্তী অঞ্চলের সঙ্গে গোপভূমের সম্পর্ক রয়েছে।

ওয়েবপাতা দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। পুরোনো জেলার সীমানাকে বর্তমান সীমানার সমান ভাবা যাবে না।

মূল উৎস দেখুন
রাজনৈতিক সহকর্মীর স্মরণলেখা

বিমান বসু, হরেকৃষ্ণ কোঙারের জন্মশতবর্ষের স্মরণলেখা (২০১৪)

পিপল্‌স ডেমোক্র্যাসি, ১০ আগস্ট ২০১৪; সংগঠন ও পদাধিকার।

পড়া দলীয় স্মরণলেখা; অসংগত কারাজীবনের তারিখ ও বয়স বাদ।

মূল উৎস দেখুন
গবেষণার সহায়ক পরিচিতি

“Aguri (caste)” — পরিচিতিমূলক নিবন্ধ ও গ্রন্থপঞ্জি

উইকিপিডিয়ার আগুরী নিবন্ধ, দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। সাত ব্যক্তির তালিকা থেকে সাইটের প্রথম সাতটি জীবনচরিত নেওয়া হয়। কুণ্ডু (২০০৮), ম্যাকলেন, সেন এবং Liyiyu ও Dasgupta (২০২১)-এর গবেষণার সূত্রও দেয়।

তালিকার সম্প্রদায়গত পরিচয় এই নিবন্ধের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখিত। জীবন ও কাজের পৃথক উৎস আছে; ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত সব বই দেখা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
গ্রন্থপঞ্জির উল্লেখ

অচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Vertical mobility of an entrepreneurial caste: the Ugra Kshatriyas of Burdwan” (১৯৯৯)

The Journal of the Anthropological Survey of India 48(2), জুন ১৯৯৯, পৃ. ১–২১। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখকের গ্রন্থপঞ্জির পৃ. ১৬–১৭-এ তালিকাভুক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থপঞ্জিতে প্রকাশনাতথ্য যাচাই করা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রবন্ধ পড়া হয়নি; তার ফলাফল পড়া হয়েছে বলে কোনও দাবি করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
সংসদীয় জীবনচরিত · পুনঃপ্রকাশ

অজিতকুমার পাঁজা — একাদশ লোকসভার জীবনচরিত

ইন্ডিয়াপ্রেসে লোকসভার জীবনচরিতের পুনঃপ্রকাশ। আইনের শিক্ষা, রাজ্য ও কেন্দ্রে দায়িত্ব, গ্রন্থতালিকা এবং ১৯৯২ সালের জুনে সংসদীয় সম্প্রচারব্যবস্থা পর্যালোচনার প্রতিনিধিদল সম্পর্কে তথ্য।

পুনঃপ্রকাশিত জীবনচরিত সরাসরি পড়া হয়েছে; একাদশ লোকসভার সময়ে নথিভুক্ত কর্মজীবন বর্ণিত।

মূল উৎস দেখুন
সংসদীয় নথি

লোকসভা, শোকপ্রস্তাব, ১০ ডিসেম্বর ২০০৮ — অজিতকুমার পাঁজা

স্পিকারের স্মরণবক্তব্য: অষ্টম থেকে ত্রয়োদশ লোকসভার সদস্যপদ, কেন্দ্রীয় দায়িত্ব, লেখালেখি ও নাটক। পার্লামেন্ট ডিজিটাল লাইব্রেরি, নথি 722032, ফাইল 10463.pdf।

সংসদীয় নথির সূচিবদ্ধ পাঠ দেখা হয়েছে। পর্যালোচনার সময় আর্কাইভের PDF সংযোগ মাঝেমধ্যে অপ্রাপ্য ছিল।

মূল উৎস দেখুন
সংসদীয় জীবনচরিত · পুনঃপ্রকাশ

ডা. রণজিৎকুমার পাঁজা — দ্বাদশ লোকসভার জীবনচরিত

ইন্ডিয়াপ্রেসে সংসদীয় জীবনচরিতের পুনঃপ্রকাশ: শিক্ষা, ১৯৭৪–৯০ সালে অধ্যাপনা, গবেষণা, পাঠ্যবই, সাম্মানিক পদ, ১৯৯৮-এর নির্বাচন, কমিটিতে কাজ ও গ্রামীণ চিকিৎসাশিবির।

পুনঃপ্রকাশিত জীবনচরিত সরাসরি পড়া হয়েছে। এটি সেই সময়ের বিবরণ, সম্পূর্ণ পশ্চাৎদৃষ্টিমূলক জীবনী নয়।

মূল উৎস দেখুন
সমসাময়িক শোকলেখা

“Ranjit Panja dead” — দ্য টেলিগ্রাফ

এপ্রিল ২০০৬।

শুধু মৃত্যুসাল সমর্থনের জন্য ব্যবহৃত।

মূল উৎস দেখুন
চলচ্চিত্র সংস্থার বিবরণ

শক্তি সামন্ত — শক্তি ফিল্মস / আরাধনা ফিল্মসের জীবনচরিত

সংস্থার প্রতিষ্ঠাতার বিবরণ: ১৯৫৭ সালে শক্তি ফিল্মসের প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা, বাংলা ও হিন্দি ছবির সংখ্যা এবং নির্বাচিত চলচ্চিত্র।

১৯২৫ জন্মসাল অন্যত্র প্রচলিত ১৯২৬-এর সঙ্গে মেলে না; জীবনচরিতে তা বাদ। অমানুষ-এর কথিত শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কারের ভাষা ও বিভাগ অনির্ধারিত থাকায় ব্যবহার করা হয়নি। স্টুডিওর প্রতিকৃতি নেওয়া হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
উইকিপিডিয়ার জীবনচরিত

বিনয়কৃষ্ণ কোঙার — উইকিপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যুসাল, হরেকৃষ্ণ কোঙারের সঙ্গে সম্পর্ক ও মেমারির নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত। জনজীবনের জন্য বাংলা প্রতিবেদনও দেখা হয়েছে।

নিবন্ধ পড়া হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

মূল উৎস দেখুন
বাংলা সংবাদপত্রের শোকলেখা

“হরেকৃষ্ণ শতবর্ষেই প্রয়াত বিনয় কোঙার” — আনন্দবাজার পত্রিকা (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)

কৃষক আন্দোলন, রাজ্য ও জাতীয় কৃষক সভার নেতৃত্ব, বিধানসভায় কাজ এবং সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম নিয়ে মন্তব্যের বিতর্ক সম্পর্কে সমসাময়িক বিবরণ।

বাংলা নিবন্ধ সরাসরি পড়ে সাইটের নিজস্ব ভাষায় সারাংশ লেখা হয়েছে।

মূল উৎস দেখুন
বাংলা বই · প্রকাশকের নথি

বিনয় কোঙার, নির্বাচিত রাজনৈতিক প্রবন্ধ, স্মৃতি ও স্মরণ — ন্যাশনাল বুক এজেন্সি

রাজনৈতিক প্রবন্ধ ও স্মৃতিচারণের বাংলা সংগ্রহ সম্পর্কে প্রকাশকের তালিকা। আরও পাঠের পরিচয় দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত।

নাম, লেখক, ভাষা ও প্রকাশক দেখা হয়েছে। সম্পূর্ণ বই পড়া হয়নি; কোনও অংশ উদ্ধৃত বা সংক্ষেপ করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
উইকিপিডিয়ার জীবনচরিত

দাশরথি তা — উইকিপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যুসাল, স্বাধীনতা আন্দোলন, রায়নার নির্বাচন ও দামোদর পত্রিকার জন্য ব্যবহৃত। নিবন্ধে সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃ. ১২৮ উদ্ধৃত।

নিবন্ধ সরাসরি পড়া হয়েছে; উদ্ধৃত চরিতাভিধানের অংশ স্বাধীনভাবে দেখা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
বাংলায় স্থানীয় ইতিহাসের প্রতিবেদন

কৃষ্ণ সাহা, স্বাধীনতা সংগ্রামী দাশরথি তা সম্পর্কে বাংলা বিবরণ — কৃষকসেতু

স্বামীর আত্মগোপনকালে রমা তা-র দামোদর পত্রিকা চালিয়ে যাওয়ার বিবরণের জন্য সীমিতভাবে ব্যবহৃত।

বাংলা নিবন্ধ দেখা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। স্থানীয় ইতিহাসের বিবরণটি উৎসের নামে উল্লেখিত; সমর্থন ছাড়া যুদ্ধকালীন নাটকীয় দাবি পুনরাবৃত্ত হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
সংসদীয় জীবনচরিত · প্রতিলিপি

নিখিলানন্দ সর — দ্বাদশ লোকসভার জীবনচরিত

ইন্ডিয়াপ্রেস প্রতিলিপি: শিক্ষা, পদাধিকার, অন্যান্য তথ্য।

সরাসরি পড়া; পদগুলি ঐতিহাসিক।

মূল উৎস দেখুন
বাংলা সংবাদপত্রের শোকলেখা

নিখিলানন্দ সরের শোকলেখা — আনন্দবাজার পত্রিকা (২০২০)

অমরুন ও জবগ্রামে শিক্ষকতা, কৃষক সংগঠন, মঙ্গলকোটের বিধায়কপদ, জেলা পরিষদ ও ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০৪-এর লোকসভা নির্বাচনের বাংলা বিবরণ।

নিবন্ধ সরাসরি পড়া হয়েছে। জীবনচরিতে শুধু জন্ম-মৃত্যুসাল: এই শোকলেখা ও উইকিপিডিয়ায় জুলাই ২০২০-এর মৃত্যুর নির্দিষ্ট দিন আলাদা।

মূল উৎস দেখুন
বাংলায় সমাজের ইতিহাস

হরিচরণ বন্ধু, রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়, দ্বিতীয় সংস্করণ (১৯৪০)

হরিচরণ বন্ধু সংকলিত; কলকাতায় দ্বিজেন্দ্রচন্দ্র রায় প্রকাশিত। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ডিজিটাল লাইব্রেরি অব ইন্ডিয়ার স্ক্যান। প্রকাশকের নিবেদনের তারিখ ২৭ বৈশাখ ১৩৪৭। উৎপত্তির প্রস্তাবগুলি ঐতিহাসিক যুক্তি হিসেবে বিবেচিত।

উৎসর্গ, ভূমিকা, নয়টি অধ্যায় ও সংরক্ষিত উপসংহারের ইংরেজি অনুবাদ ৯৮ পাতার PDF-এ রয়েছে; মূল শুদ্ধিপত্র ও অনুবাদকের টীকা-সহ। মুদ্রিত ১৪২–১৪৩ পাতা ডিজিটাল মূলে নেই। অনিশ্চিত পাঠ চিহ্নিত; সম্পূর্ণ যাচাইকৃত গবেষণা-সংস্করণ নয়। পৃথক ভূমিকার পাঠে বাংলা প্রতিলিপি ও মূল ছবি আছে।

ডিজিটাল বাংলা বই পড়ুন
বাংলা জাতিবিষয়ক গ্রন্থ

লালমোহন বিদ্যানিধি, সম্বন্ধনির্ণয়, সামান্যকাণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (১৮৯৬)

কলকাতা, ১৮৯৬। ডিজিটাল লাইব্রেরি অব ইন্ডিয়ার স্ক্যান। উগ্রক্ষত্রিয় ভুক্তি (পৃ. ১৮৭–১৮৮, পাদটীকা) সুত ও জানা বিভাগ, জানাদের বিবাহকালে উপবীত, হাজরা ও চৌধুরীকে প্রধানত কুলীন, এবং বর্ধমানের আট পরগণার আট প্রসিদ্ধ ঘরের কথা লেখে; প্রমাণ হিসেবে কুলাচার্য ষষ্ঠীদাস ভট্টাচার্যের কুলগ্রন্থের পদ্য উদ্ধৃত।

archive.org-এর পাঠে আগুরী অংশটি খুঁজে প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে; OCR যাচাই হয়নি। কুলাচার্যের মূল গ্রন্থ পাওয়া যায়নি। পরবর্তী মুদ্রণ (১৮৯৮) archive.org-এ আছে।

ডিজিটাল বাংলা বই পড়ুন
বাংলা সাহিত্যপত্রের গ্রন্থ-সমালোচনা

“রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়” — প্রবাসী, মাঘ ১৩২১ (১৯১৫), পৃ. ৪৭০–৪৭১

প্রবাসী, চতুর্দশ বর্ষ, দ্বিতীয় খণ্ডের সমালোচনা। উইকিসংকলনে বাংলা প্রতিলিপি-সহ স্ক্যান, ছবি ৪৯৮–৪৯৯। পূর্ববর্তী সংস্করণ নিয়ে আলোচনা, ১৯৪০-এর দ্বিতীয় সংস্করণ নিয়ে নয়।

মুদ্রিত পৃ. ৪৭০–৪৭১ (স্ক্যান ৪৯৮–৪৯৯) থেকে সম্পূর্ণ সমালোচনা অনূদিত ও ছবি মিলিয়ে দেখা। একটি পদবির অমিল ও একটি অস্পষ্ট বাক্যাংশ চিহ্নিত।

সমালোচনা ও স্ক্যান পড়ুন
স্থানীয় আচার সম্পর্কে বাংলা বিবরণ

তরুণ চক্রবর্তী, “শরতের দুর্গোৎসবেও জলমগ্ন থাকেন ক্ষীরগ্রামের দশভুজা” — আনন্দবাজার পত্রিকা (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩)

ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা পূজা, গুয়া ডাকা ও আগুরী গ্রামের নামোল্লেখের বিবরণ। যৌথ আঞ্চলিক ঐতিহ্যে অংশগ্রহণের এই নির্দিষ্ট বিবরণের জন্য ব্যবহৃত।

বাংলা নিবন্ধ সরাসরি পড়া হয়েছে। রাজাদের কালক্রমের অসংগতি ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
বাংলা বই · অনলাইন প্রতিলিপি

লোকেশ্বর বসু, আমাদের পদবীর ইতিহাস

ই-বাংলা লাইব্রেরিতে পাওয়া বাংলা পদবির আলোচনা। একাধিক সমাজে একই পদবির ব্যবহার সম্পর্কে ভূমিকা পারিবারিক গবেষণার প্রেক্ষাপট হিসেবে ব্যবহৃত।

অনলাইন ভূমিকা সরাসরি পড়া হয়েছে। মুদ্রিত সংস্করণ, তারিখ ও পৃষ্ঠাসংখ্যা যাচাই করা হয়নি; আধুনিক আইনগত শ্রেণিবিন্যাস এখান থেকে নেওয়া হয়নি।

বাংলা ভূমিকা পড়ুন
জীবনচরিতের পরিচিতি

রমাপদ চৌধুরী — জীবনচরিতের তথ্যসূত্র

উইকিপিডিয়ার জীবনচরিত, দেখা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। জীবনকাল, খড়্গপুরে জন্ম, প্রথম দিকের উপন্যাস, এখনই-এর রবীন্দ্র পুরস্কার, খারিজ ও এক ডক্টর কি মওত-এর রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত।

শুধু জীবন ও সাহিত্যকর্মের জন্য; এই জীবনচরিত আগুরী পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে না।

মূল উৎস দেখুন
প্রকাশকের লেখক-পরিচিতি

নিয়োগী বুকস — রমাপদ চৌধুরী

লেখক-পরিচিতিতে কয়েক দশক রবিবাসরীয় আনন্দবাজার সম্পাদনা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও চলচ্চিত্রায়ণের সমর্থন পাওয়া যায়।

প্রকাশকের পরিচিতি সরাসরি পড়া হয়েছে। আনন্দ পুরস্কারের সালে দৃশ্যত মুদ্রণভুল পুনরাবৃত্ত হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
বাংলায় শতবর্ষের প্রবন্ধ

তিলোত্তমা মজুমদার, “কলমের দেখানেপনা ছিল না” — আনন্দবাজার পত্রিকা (২৮ ডিসেম্বর ২০২২)

ঔপন্যাসিক তিলোত্তমা মজুমদারের মূল্যায়ন: চৌধুরীর সংযত গদ্য, সামাজিক পর্যবেক্ষণ ও নবীন লেখকদের উৎসাহদান।

বাংলা লেখা সরাসরি পড়ে সারাংশ করা হয়েছে। সাহিত্যিক মূল্যায়ন লেখকের নামে উল্লেখিত; সম্প্রদায়গত পরিচয় অনুমান করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
সাহিত্য পুরস্কারের সরকারি নথি

সাহিত্য অকাদেমি — বাংলা পুরস্কারপ্রাপক: ১৯৮৮

বাংলা তালিকায় ১৯৮৮-এর সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারের জন্য Ramapada Choudhuri ও Bari Badle Jai উপন্যাস নথিভুক্ত। সরকারি তালিকায় এই লিপ্যন্তর ব্যবহৃত।

পুরস্কার, সাল ও বই যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত।

মূল উৎস দেখুন
দলীয় স্মরণবার্তা

বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরীকে নিয়ে সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরোর স্মরণবার্তা

দলীয় সদস্যপদ, নির্বাচন ও সংস্কারের কাজবিষয়ক পরিচয়।

সরাসরি পড়া দলীয় শ্রদ্ধার্ঘ্য। ওয়েব-তারিখ ও জন্মদিনের অসংগতি গ্রহণ করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
সংরক্ষিত মৌখিক ইতিহাসের সাক্ষাৎকার

অ্যান্ড্রু হোয়াইটহেড, “Communist Voices: Benoy Choudhury” — জুন ১৯৯২-এর সাক্ষাৎকার

সাক্ষাৎকারগ্রহণকারীর ভূমিকায় চৌধুরীকে (১৯১১–২০০০) সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরোর সদস্য বলা হয়েছে; যুগান্তর, কারাগার, কৃষক রাজনীতি ও ভূমিসংস্কার নিয়ে রেকর্ড করা আলোচনার পরিচয় আছে।

লিখিত ভূমিকা পড়া হয়েছে। আরও শোনার জন্য অডিয়োর সংযোগ আছে; প্রতিলিপি বা সরাসরি উদ্ধৃতির দাবি করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় — বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী গ্রামীণ প্রযুক্তি কেন্দ্র

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী ২০০০ সালে তাঁর স্মৃতিতে কেন্দ্রটির নাম বদলানো হয়। গ্রামীণ জীবিকার সহায়ক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের বিবরণও আছে।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাতা সরাসরি পড়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক স্মরণের জন্য ব্যবহৃত, সম্প্রদায়গত পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে নয়।

মূল উৎস দেখুন
মূল ঐতিহাসিক বই

যোগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, Hindu Castes and Sects (১৮৯৬), সূচিপত্র পৃ. x ও পৃ. ১৫৬–১৫৮

কলকাতা: Thacker, Spink & Co. সপ্তম ভাগের শিরোনাম “The Military Castes”; নবম অধ্যায় “The Aguris of Bengal”, পৃ. ১৫৬–১৫৮। জীবিকা ও উৎপত্তির বিতর্ক বর্ণিত; পৃ. ১৫৮-এ প্রতাপচন্দ্র রায়কে সুতা আগুরী বলা হয়েছে। গোখলে ইনস্টিটিউটের স্ক্যান GIPE-000880। চারটি প্রাসঙ্গিক পাতা চোখে দেখে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ইতিহাস নিবন্ধের পাশে রাখা হয়েছে।

ভট্টাচার্যের শ্রেণিবিন্যাস ও বিবরণের সাক্ষ্য; সরকারি সেনা-নিয়োগ বা রেজিমেন্টের প্রমাণ নয়। জাতিগত ক্রম, শাস্ত্রীয় বংশসূত্র ও চরিত্রের সাধারণীকরণ ঐতিহাসিক দাবি, বর্তমান তথ্য নয়। অধ্যায়ে অনুবাদকের নাম “Kishori Mohan Ganguli”; জীবনচরিতে মহাভারত সংস্করণের প্রকাশকের ভূমিকা অনুসারে Kisari Mohan Ganguli ব্যবহার করা হয়েছে।

মূল উৎস দেখুন
সংস্করণ সম্পর্কে প্রকাশকের বিবরণ

The Complete Mahabharata in English: প্রকাশকের ভূমিকা

মুন্সিরাম মনোহরলাল সংস্করণের ভূমিকা, মতিলাল বনারসিদাসের তালিকাপাতায় পুনঃপ্রকাশিত। অনুবাদক হিসেবে কিশোরীমোহন গঙ্গোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব, প্রতাপচন্দ্র রায়ের প্রকাশকের ভূমিকা এবং সুন্দরীবালা রায়ের সমাপ্তিকরণের উল্লেখ। ধারাবাহিক প্রকাশকাল ১৮৮৩–১৮৯৬।

প্রকাশকের ভূমিকা দেখা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। প্রকাশনার ইতিহাস ও ভূমিকার বিভাজনে ব্যবহৃত; অনুবাদ ভুল করে রায়ের নামে দেওয়া অনুসরণ করা হয়নি।

প্রকাশকের ভূমিকা পড়ুন
জীবনচরিতের তথ্যসূত্র

প্রতাপচন্দ্র রায় — উইকিডেটার পরিচিতি নথি

উইকিডেটা Q94636898-এ ১৮৪২–১৮৯৫ নথিভুক্ত; দুই সালের জন্য OCLC FAST পরিচিতি নথি 286863 উদ্ধৃত। ভারতীয় পুস্তকবিক্রেতা ও প্রকাশক হিসেবে পরিচিত।

দেখা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। শুধু জীবনকাল ও নামের রূপভেদের জন্য; সম্প্রদায়গত পরিচয় বা মহাভারতের অনুবাদক নির্ধারণে নয়।

মূল উৎস দেখুন
ऐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান · নির্বাচিত অনুচ্ছেদ দেখা হয়েছে

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, The Origin and Development of the Bengali Language (১৯২৬)

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯২৬, দুই খণ্ডে। পদবীর ব্যুৎপত্তি লেখকের নিজস্ব অনুচ্ছেদ-সংখ্যা ধরে উদ্ধৃত: দলপতি থেকে দলুই (§১৭২); ভট, ভৃত — “সৈনিক, ভৃত্য” — থেকে ভর (§১৭৩, §৬৮৩); সামন্ত-রাজ থেকে সাঁতরা ও মহন্ত থেকে মাইতি (§২৭৩); কুমার থেকে কোঙার (§২৮৪); জাত থেকে -জা প্রত্যয় (§৪৩৫); গ্রামনাম থেকে পাকড়াশী (§৪৫৫); “উপাধি বা পদবী” হিসেবে চৌধুরী (§৫১৪–৫১৫); সহস্র-মল্ল থেকে সসমল (§৫৩২)।

অনুচ্ছেদ-সংখ্যা এই প্রকল্পে রক্ষিত যন্তরপাঠ থেকে নেওয়া; সেই পাঠে §৫১৫ বাদ পড়েছে, তাই চৌধুরী অংশটি §৫১৪–৫১৫ হিসেবে উল্লিখিত। এগুলি লেখকের দেওয়া শব্দের ইতিহাস, কোনো পরিবারের ইতিহাস নয়, এবং নামধারী কারও বংশপরিচয় এগুলি প্রতিষ্ঠা করে না।

ডিজিটাইজড খণ্ডদুটি পড়ুন
ঔপনিবেশিক নৃতাত্ত্বিক অভিধান

এইচ. এইচ. রিজলি, The Tribes and Castes of Bengal, দ্বিতীয় খণ্ড (১৮৯১)

অভিধানের দ্বিতীয় খণ্ড, L থেকে Z পর্যন্ত, সঙ্গে পরিশিষ্ট ১। যে ভুক্তিগুলি সরাসরি আগুরীদের নাম করে: সামন্ত, “অধিপতি … আগুরী, ব্রাহ্মণ, খণ্ডাইত, রাজপুত, সদ্গোপ, তেলি ও আরও কয়েকটি জাতির উপাধি”; মল্ল, “মল্লযোদ্ধা, ওড়িশার খণ্ডাইত ও পশ্চিমবঙ্গের আগুরী বা উগ্রক্ষত্রী জাতির”; পান, “পশ্চিমবঙ্গের তেলি ও আগুরীদের”; রানা, “আগুরী ও সূত্রধরদের”; শাহী উগ্রক্ষত্রী, “শাহ উপাধিধারী আগুরীদের একটি উপবিভাগ”; শাণ্ডিল্য, “আগুরী, বৈদ্য, ব্রাহ্মণ, কামার ও সুবর্ণবণিক জাতির” গোত্র; এবং সাতসইকিয়া ও সুত উপবিভাগ। ইন্টারনেট আর্কাইভ পরিচয় TheTribesAndCastesOfBengal_201509।

১৮৯১ সালে এক ঔপনিবেশিক লেখক কী লিখেছিলেন, তার সাক্ষ্য; এই প্রকল্পে রক্ষিত যন্তরপাঠ থেকে পড়া। লেখার জাতিগত ক্রম, উৎপত্তির অনুমান ও চরিত্রের বাঁধাধরা ধারণা এখানে সমর্থিত নয়। কোনো ভুক্তি কেবল নামের ব্যবহার নথিভুক্ত করে; বংশধারা, পূর্বপুরুষের পদ, অথবা কোন সমাজ আগে নামটি ব্যবহার করেছিল — কিছুই তা প্রতিষ্ঠা করে না।

দ্বিতীয় খণ্ড দেখুন
ঐতিহাসিক পদবীর সাক্ষ্য · পৃষ্ঠার ছবি যাচাইকৃত

যোগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, Hindu Castes and Sects (১৮৯৬), পৃ. ১৪৮, ১৫৮, ৫৮২

খণ্ডাইতদের উপাধির তালিকায় (পৃ. ১৪৮) এবং সুত আগুরীদের পদবীর তালিকায় (পৃ. ১৫৮) হাতির উল্লেখ। সূচি (পৃ. ৫৮২) উভয় সমাজকে যুক্ত করে সংস্কৃত হস্তি থেকে ব্যুৎপত্তি দেয়। PDF-এর পৃষ্ঠা ১৭২, ১৮২ ও ৬০৬।

তিনটি পৃষ্ঠার ছবি ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ যাচাই করা হয়েছে। ব্যুৎপত্তি ও অভিন্ন ব্যবহার কোনও ব্যক্তির পূর্বপুরুষের পেশা প্রমাণ করে না।

Open source
তুলনামূলক সারণি · মূল মুদ্রিত উৎস অযাচাইকৃত

“বিভ্রান্তিকর পদবি”, ই-বাংলা লাইব্রেরি

খগেন্দ্রনাথ ভৌমিকের ১৯৯৭ সালের পদবীর ইতিহাসের নামে উপস্থাপিত তুলনামূলক সারণিতে উগ্রক্ষত্রিয়দের মধ্যে নন্দীর উল্লেখ আছে। সদ্‌গোপ ও কর্মকারসহ অন্য সমাজেও নামটি দেওয়া হয়েছে।

অনলাইন অধ্যায় পড়া হয়েছে; মূল বইয়ের পৃষ্ঠা যাচাই করা হয়নি। এটিকে প্রত্যক্ষ পারিবারিক দলিল হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি।

Open source
অনলাইনে পুনর্মুদ্রিত অভিধানের ব্যাখ্যা

Ancestry.com, “Nandi Surname Meaning”

Dictionary of American Family Names-এর দ্বিতীয় সংস্করণ (২০২২) উৎস হিসেবে উল্লিখিত। পশ্চিমবঙ্গের পদবীটি সংস্কৃত নন্দ, আনন্দ, থেকে ব্যক্তিনামের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়েছে; শিব-সম্পর্কিত অনুষঙ্গও আছে।

প্রকাশ্য ভুক্তি ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পড়া হয়েছে। কোনও আগুরী পরিবারের বংশতালিকা যাচাই হয়নি। Nandy পাতার প্রাপ্ত পাঠে বিস্তারিত অর্থ দেখা যায়নি।

Open source
উৎসবিহীন ওয়েব ব্যাখ্যা · সীমিত ব্যবহার

Ancestry.com, “Hati Surname Meaning”

হাতি-সম্পর্কিত অর্থ ও পেশার সম্ভাবনা উল্লেখ করে, কিন্তু প্রাপ্ত ব্যাখ্যায় কোনও নির্দিষ্ট উৎসের নাম নেই। ব্যুৎপত্তির জন্য ভট্টাচার্যের ১৮৯৬ সালের সূচি অধিক প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পড়া হয়েছে। পেশাগত অনুমানকে কোনও আগুরী পরিবারের ইতিহাস হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি।

Open source
অভিধানের ব্যাখ্যা · ভিন্ন ব্যুৎপত্তির প্রস্তাব

Ancestry.com, “Dey Surname Meaning”

Dictionary of American Family Names (২০২২)-এর নামে দক্ষিণ এশিয়ার Dey-এর জন্য সংস্কৃত deya থেকে সম্ভাব্য ব্যুৎপত্তি দেওয়া হয়েছে। সুনীতিকুমারের deva থেকে de ব্যাখ্যার সঙ্গে এটি এক নয়।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পড়া হয়েছে। কায়স্থ পরিচয়ের উল্লেখটি পদবীর সব ব্যবহারকারীর তালিকা নয়; পৃথক ইউরোপীয় ব্যুৎপত্তিও বাংলা পরিবারের প্রমাণ নয়।

Open source
মূল সাহিত্যিক পাঠ · পৃষ্ঠার ছবি যাচাইকৃত

লালবিহারী দে, Bengal Peasant Life (১৯১৬ পুনর্মুদ্রণ), ভূমিকা ও পৃ. ১০, ৩১, ৫৯, ৮২, ১৪৯, ২০৪–২০৭, ২৭৮–২৮০

প্রথম প্রকাশ Govinda Sámanta (১৮৭৪); নতুন নাম Bengal Peasant Life (১৮৭৮)। ভূমিকায় উত্তরপাড়ার জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ১৮৭১ সালের পুরস্কার ঘোষণা এবং ১৮৭৪-এ তার প্রদানের কথা আছে। ১৯১৬-এর সংস্করণে বর্ধমানের কাছে কাঞ্চনপুরের অবস্থান (তৃতীয় অধ্যায়, পৃ. ১০), সামন্ত ভাইদের আগুরী পরিচয় (পঞ্চম, পৃ. ৩১), নটবর সামন্ত ও মধু সিংহের সংলাপভিত্তিক পরিচয় (নবম, পৃ. ৫৯) এবং ঘটকের প্রস্তাবে সেন পরিবারের পরিচয় (ত্রয়োদশ, পৃ. ৮২) পাওয়া যায়। ত্রয়োবিংশ (পৃ. ১৪৯), ত্রিংশ (পৃ. ২০৪–২০৭) ও দ্বিচত্বারিংশ (পৃ. ২৭৮–২৮০) অধ্যায়ে জাতির সীমা পেরোনো বন্ধুত্ব, নবান্ন উৎসব এবং জমিদারের বিরুদ্ধে আগুরী প্রজাদের প্রতিবাদের বিবরণ আছে। স্ক্যান n41, n69 ও n92।

পৃ. ৩১, ৫৯ ও ৮২ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পৃষ্ঠার ছবিতে পড়া হয়েছে। ভূমিকা এবং পৃ. ১০, ১৪৯, ২০৪–২০৭ ও ২৭৮–২৮০ ৮ অক্টোবর ২০২৬-এ আর্কাইভের যন্ত্রপাঠে পড়া হয়েছে, পৃষ্ঠাসংখ্যা নেওয়া হয়েছে পাতার শীর্ষলেখ থেকে; এই পাতাগুলির ছবি মেলানো হয়নি। সাহিত্যিক উপস্থাপনা, যাচাইকৃত বংশতালিকা বা নৃতাত্ত্বিক বিবরণ নয়। ১৮৭৪-এর প্রথম সংস্করণের সঙ্গে পাঠ মেলানো হয়নি।

Open source
সাহিত্য সমালোচনা · Bengal Peasant Life

স্বাতী মৈত্র, “Those Backward Hordes: Representing the Indian Peasant as a ‘Rebel’ in Early Indian Fiction in English” (২০২০)

Postgraduate English (ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়), সংখ্যা ৪০, গ্রীষ্ম ২০২০। ১৮৭১-এর উত্তরপাড়া পুরস্কার (পৃ. ২) এবং জমিদারের মুখোমুখি আগুরী কৃষকদের নিয়ে লালবিহারী দে-র চিত্রণ আলোচিত, যেখানে তাঁদের উগ্রতা ও অন্য জাতিদের নিরীহতাকে জাতির স্বাভাবিক গুণ হিসেবে দেখানো হয়েছে (পৃ. ১৮–১৯)।

উপন্যাস-সংক্রান্ত অংশগুলি ৮ অক্টোবর ২০২৬-এ অনলাইনে দেখা হয়েছে। উপন্যাসের পাঠ হিসেবে ব্যবহৃত, আগুরী ইতিহাসের প্রমাণ হিসেবে নয়।

প্রবন্ধ
সাহিত্যসমালোচনা · কেবল পদবীর ব্যবহার

সৌরভ দত্ত, বনফুলের শ্রেষ্ঠ গল্প-এর সমালোচনা, গণশক্তি (১৯ জুলাই ২০২৪)

বনফুলের শ্রীপতি সামন্ত এবং অর্জুন মণ্ডল গল্পের উল্লেখ আছে। এগুলি পদবীর তুলনামূলক উদাহরণ; চরিত্রগুলির আগুরী পরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ সমালোচনাটি পড়া হয়েছে। এই অনুসন্ধানে মূল গল্পগুলি যাচাই হয়নি; নাম দেখে জাতিপরিচয় অনুমান করা হয়নি।

Open source
চিকিৎসা পত্রিকার ইতিহাস

সৌম্য পান্ডা, “Sixty Years of the Indian Journal of Dermatology: An Interpretation of the Journey” (২০১৫)

ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ডার্মাটোলজি ৬০(৬), পৃ. ৫২৭–৫৩৬। গণপতি পাঁজার চিকিৎসা ও জীবাণুবিদ্যার কাজ, প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদনা (১৯৫৫–১৯৫৯), জীবনকাল (১৮৯১–১৯৫৯) এবং ২ নম্বর চিত্রে নাম-সহ প্রতিকৃতি।

প্রবন্ধ ও ২ নম্বর চিত্র দেখা হয়েছে। পত্রিকার CC BY-NC-SA 3.0 শর্তে অপরিবর্তিত প্রতিকৃতি; মূল আলোকচিত্রীর পরিচয় নেই।

মূল উৎস দেখুন
বাংলায় চিকিৎসকের জীবনচরিত

বারিদবরণ ঘোষ, গণপতি পাঁজার জীবনচরিত — আনন্দবাজার পত্রিকা (২ জানুয়ারি ২০১৭)

ধনপতিকে গণপতির ছোট ভাই হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি গণপতির ১৯২১ সালের যোগদান, ১৯৩২ সালের রকফেলার বৃত্তি এবং মাজিগ্রামের বিদ্যালয়গুলির উল্লেখ।

ভ্রাতৃসম্পর্ক ও উল্লিখিত কর্মজীবন ও শিক্ষাবিস্তারের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত। গণপতির কৃতিত্ব ধনপতির নামে আরোপ করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
বাংলায় চিকিৎসকের স্মরণলেখা

এই সময়, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সলিলকুমার পাঁজার প্রয়াণসংবাদ (১ সেপ্টেম্বর ২০২৩)

সলিলকে গণপতি পাঁজার পুত্র ও ধনপতি পাঁজার ভ্রাতুষ্পুত্র হিসেবে চিহ্নিত করে; চর্মরোগবিদ্যার বিকাশে দুই পূর্বসূরি চিকিৎসকের উল্লেখ রয়েছে।

পারিবারিক ও চিকিৎসার প্রেক্ষাপটের জন্য ব্যবহৃত। লেখাটির বিষয় ও ছবি সলিলের, ধনপতির নয়।

মূল উৎস দেখুন
সংরক্ষিত জীবনী-টীকা

নেহরু আর্কাইভ — যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা (১৮৮৬–১৯৬১)

অসহযোগ আন্দোলন, কারাবাস, কুটির ও ক্ষুদ্রশিল্পের দায়িত্ব এবং ১৯৫৮–৬১ সালে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিত্বের পরিচয়।

জীবনী-টীকা সরাসরি পড়া। সম্প্রদায়ের পরিচয় পৃথকভাবে দত্তের ৩১০ ও ৩১৪ পৃষ্ঠা থেকে সমর্থিত।

মূল উৎস দেখুন
গ্রন্থাগারের তালিকা

রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির — বাংলা গ্রন্থাগার-তালিকা, মুদ্রিত পৃ. ৫১

সত্যকিঙ্কর সাহানা বিদ্যাবিনোদের নামে কলিকা, মালিকা ও যূথিকা-সহ গ্রন্থের নথি।

সূচিবদ্ধ পাঠে প্রাসঙ্গিক নথি পরীক্ষা করা হয়েছে; সম্পূর্ণ PDF ওয়েব-পাঠকের আকারসীমা ছাড়িয়েছে। গ্রন্থপঞ্জির সাক্ষ্য; সম্প্রদায়গত প্রেক্ষাপটের পৃথক উৎস দত্ত।

মূল উৎস দেখুন
কলেজের সরকারি নথি

আগ্রা কলেজ — অধ্যক্ষদের তালিকা

ড. মনোহর রায়, M.Sc., Ph.D., D.Sc., F.N.I., F.N.A.Sc.-এর অধ্যক্ষতার মেয়াদ ১৯৬০–১৯৭০ হিসেবে নথিভুক্ত।

কলেজের তালিকা সরাসরি পড়া হয়েছে। ইংরেজি বানান Ray; দত্ত নসিগ্রামের গণিতজ্ঞকে Manohar Roy লিখেছেন।

মূল উৎস দেখুন
বিজ্ঞানের আর্কাইভ

রয়্যাল সোসাইটি — মনোহর রায়ের তরলের গতি-বিষয়ক গবেষণাপত্রের মূল্যায়ন (১৯৩৬)

RR/58/72: রায়ের উপবৃত্তাকার সিলিন্ডার-বিষয়ক প্রবন্ধ সম্পর্কে টেলরের দ্বিতীয় প্রতিবেদন, গৃহীত ৩১ আগস্ট ১৯৩৬। তালিকায় ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৭-এ প্রকাশিত প্রবন্ধের সংযোগ আছে, DOI 10.1098/rspa.1937.0037।

আগস্টের তারিখটি মূল্যায়ন-প্রতিবেদন গ্রহণের; রায়ের গবেষণাপত্র জমা বা প্রকাশের জন্য গ্রহণের তারিখ নয়।

মূল উৎস দেখুন
সাক্ষাৎকারভিত্তিক স্মৃতিচারণ

বিনয় চৌধুরী, “আমার বিপ্লবী জীবনে বিবেকানন্দ”

সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গের পুনঃপ্রকাশ, ১২ জানুয়ারি ২০২১; সূচনা ও ১৯৩০-সংক্রান্ত অংশ।

সম্পূর্ণ পড়া। মূল সাক্ষাৎকার ও তারিখ অজ্ঞাত; কলেজে ভর্তির সাল সরকারি সারাংশের সঙ্গে মেলে না।

মূল উৎস দেখুন
সমকালীন আঞ্চলিক শোকলেখা

“মনে রাখবে শুধু মানুষের কথা, বলতেন বিনয়” — আনন্দবাজার পত্রিকা (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)

পরিবার, প্রাথমিক রাজনৈতিক জীবন ও দানবিষয়ক অনুচ্ছেদগুলি।

লেখা পড়া। চক্ষুদান সম্পন্ন, দেহ হস্তান্তর তখনও পরিকল্পিত। উল্লিখিত পদগুলি ঐতিহাসিক।

মূল উৎস দেখুন
বাংলা ইতিহাসবিষয়ক প্রতিবেদন

প্রদীপকুমার চট্টোপাধ্যায় — বর্ধমানের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা (১৫ আগস্ট ২০২৬)

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা; সংবাদপত্রবিষয়ক ও শেষ দুটি জীবনীমূলক অনুচ্ছেদ।

সরাসরি পড়া। ভিন্ন জন্মসাল ও অস্পষ্ট আইনসভার পরিভাষা ব্যবহার করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষণা

সুকান্ত প্রামাণিক, “Spontaneity, Resistance and Radicalism” (২০২৫)

Journal of Historical Studies and Research ৫(৩), পৃ. ২২১–২২৯; এখানে পৃ. ২২৩–২২৪ (দাশরথি তা-র প্রচারপত্র, হরতাল ও জামালপুর হামলা; আনন্দপ্রসাদ মণ্ডলের গ্রেপ্তারের পর কালনার জনতা) এবং পৃ. ২২৯-এর টীকা ৪–৬।

PDF পড়া। উদ্ধৃত সংবাদপত্র ও লেখ্যাগারের নথি স্বাধীনভাবে দেখা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস গবেষণা

বাবুলাল বালা, Congress in the politics of West Bengal (২০১৭)

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়; পঞ্চম অধ্যায়, পৃ. ৩০০; পৃ. ৩৫০-এর টীকা ১২৪।

অংশটি ও সংগ্রহশালার বিবরণ পড়া; সরোজ চক্রবর্তীর উদ্ধৃত স্মৃতিকথা, পৃ. ২৭৭, দেখা হয়নি। তারিখটি মন্ত্রী নিয়োগের সুপারিশের।

মূল উৎস দেখুন
সংসদীয় কমিটির নথি

লাভজনক পদবিষয়ক যৌথ কমিটি — প্রথম প্রতিবেদন (২০০৫)

চতুর্দশ লোকসভা; পরিশিষ্ট ১, পৃ. ১১–১২; সদস্যতালিকা, পৃ. iii।

সরকারি PDF পড়া। স্থায়ী সভাপতির অনুপস্থিতিতে সর একটি বৈঠক পরিচালনা করেন।

মূল উৎস দেখুন
চিকিৎসকের নিজস্ব পেশাগত বিবরণ

ধনপতি পাঁজা স্মারক বক্তৃতা — কলকাতা অনকোলজিস্টের পেশাগত বিবরণ

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ৮৫তম পুনর্মিলনে ধনপতি পাঁজা স্মারক বক্তৃতার উল্লেখ।

স্মরণ-অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত। ২৭ মে ২০২৫ ওয়েবসাইটে প্রকাশের তারিখ; অনুষ্ঠানের সাল প্রমাণ করে না।

পেশাগত বিবরণ দেখুন
আইন পরিষদের মূল কার্যবিবরণী

বঙ্গীয় আইন পরিষদের কার্যবিবরণী, ২২ জানুয়ারি ১৯৩৪ — বাঁকুড়া মেডিক্যাল স্কুল

মুদ্রিত পৃ. ১০৮–১০৯, তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন ৬: বাঁকুড়া মেডিক্যাল স্কুলের সরকারি সাহায্য সম্পর্কে সত্যকিঙ্কর সাহানার প্রশ্ন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার গ্রন্থাগারের স্ক্যান।

মূল প্রশ্ন ও উত্তর পড়া হয়েছে। তাঁর হস্তক্ষেপের প্রমাণ; প্রশ্নে উত্থাপিত প্রতিটি ধারণার সত্যতার প্রমাণ নয়।

মূল কার্যবিবরণী পড়ুন
পুরসভার ঐতিহাসিক বিবরণ

গিরীন্দ্রশেখর চক্রবর্তী, বাঁকুড়া শহরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য — বাঁকুড়া পুরসভা

২৮ নম্বর অংশ, এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হল: ১৮ জানুয়ারি ১৯১৯-এ গঠিত দুর্ভিক্ষ-ত্রাণ কমিটিতে সাহানার নাম।

পুরসভার বিবরণ সরাসরি পড়া হয়েছে; কমিটির সদস্যপদের জন্য ব্যবহৃত।

পুরসভার ইতিহাস পড়ুন
চলচ্চিত্র পর্ষদের সরকারি নথি

কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র শংসাপত্র পর্ষদ — সভাপতিদের তালিকা

শক্তি সামন্তের মেয়াদ ১ এপ্রিল ১৯৯১ থেকে ২৫ জুন ১৯৯৮ হিসেবে নথিভুক্ত।

সরকারি তালিকা সরাসরি পড়া হয়েছে।

পর্ষদের তালিকা দেখুন
সরকারি প্রদর্শনীর ঘোষণা

শক্তি সামন্তের চলচ্চিত্র-প্রদর্শনীর উদ্বোধন সম্পর্কে পিআইবি বিজ্ঞপ্তি, ৮ জুলাই ২০০৯

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের বিবরণে দ্বিভাষিক ছবি তৈরিতে অমানুষ-এর ভূমিকা এবং সিরি ফোর্টে অমর প্রেম দিয়ে প্রদর্শনীর সূচনার পরিকল্পনা রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি ৪৯৮৮০।

ঘোষিত অনুষ্ঠানসূচি ও সরকারি মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত; সব নির্ধারিত অনুষ্ঠান বাস্তবে ঘটেছিল এমন দাবি নয়।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি পড়ুন
বাংলায় শতবর্ষের জীবনচরিত

অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়, “ঘরের মানুষ” — আনন্দবাজার পত্রিকা, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

প্রথম গল্প, ছদ্মনাম, প্রথম দিকের প্রকাশনা ও সম্পাদনা; পরিবার ও সাহিত্যজগতের স্মৃতিচারণ।

সম্পূর্ণ লেখা পড়া হয়েছে। কর্মজীবনের তথ্যের জন্য; সম্প্রদায়গত পরিচয়ের জন্য নয়।

বাংলা জীবনচরিত পড়ুন
সমকালীন প্রকাশনার নথি

The Mahabharata of Krishna-Dwaipayana Vyasa (১৮৮৪)-এর পরিশিষ্টে সংবাদপত্রের বিবরণ, পৃ. ৮

প্রতাপচন্দ্র রায়ের দাতব্য কার্যালয় ও ইংরেজি মহাভারতসহ অনুবাদগ্রন্থের বিনামূল্যে বিতরণের বিবরণ। ডিজিটাল স্ক্যানের পাতা ৭২২।

মূল পাতার সঙ্গে যুক্ত প্রতিলিপি পড়া হয়েছে। দাতব্য প্রকাশনার জন্য; অনুবাদকের কৃতিত্ব নির্ধারণে নয়।

সমকালীন নথি পড়ুন
লেখ্যাগারের তালিকা · গবেষণার সূত্র

এস. হালদার, বর্ধমান রাজ ও অন্যান্য জমিদারির ১৮৯১–৯৬ সালের সেটেলমেন্ট রিপোর্ট (১৮৯৭)

ব্রিটিশ লাইব্রেরি, ইন্ডিয়া অফিস রেকর্ডস, IOR/V/27/314/34। তালিকাভুক্ত রিপোর্টটি বর্ধমান, হুগলি ও বাঁকুড়ার জমিদারি নিয়ে।

অক্টোবর ২০২৬-এ তালিকার বিবরণ দেখা হয়েছে। গবেষণার বিষয়ের পাতার জন্য মূল রিপোর্ট বা আগুরীদের ভূমিদানের দলিল পরীক্ষা করা হয়নি; নথির প্রাপ্যতা ও বিস্তার যাচাই করতে হবে।

ব্রিটিশ লাইব্রেরির তালিকা
বংশাবলি ও বিবাহ · গবেষণাপদ্ধতির পাঠ

রোনাল্ড বি. ইন্ডেন, Marriage and Rank in Bengali Culture (১৯৭৬)

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া প্রেস। বাংলার ব্রাহ্মণ ও কায়স্থদের বংশাবলির সাহায্যে জাতি ও কুলের মর্যাদা নিয়ে গবেষণা।

JSTOR-এ প্রকাশকের ভূমিকা ও অধ্যায়ের বিবরণ দেখা হয়েছে। পদ্ধতিগত তুলনার জন্য প্রাসঙ্গিক; আগুরী কুলপঞ্জিকার সংগ্রহ সংরক্ষিত আছে বা পরীক্ষা করা হয়েছে—এমন প্রমাণ নয়।

বই ও অধ্যায়ের বিবরণ
গ্রামীণ ক্ষেত্রসমীক্ষা · জাতি ও ভূমি

আত্রেয়ী সাহা, বর্ধমানের কৃষি অর্থনীতিতে জাতিগত বৈষম্য, ভূমিসম্পর্ক ও কৃষিসংকট নিয়ে গবেষণা (২০১৯)

Journal of Land and Rural Studies 11(2); অনলাইনে প্রথম প্রকাশ ২০১৯। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ ব্লকের Paarhaati গ্রামের সমীক্ষা। DOI: 10.1177/2455328X19866997।

প্রকাশকের সারসংক্ষেপ দেখা হয়েছে। এটি একটি গ্রামের গবেষণা; সমগ্র রাজ্য বা আজকের সব আগুরী পরিবারের অবস্থার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি।

প্রকাশকের সারসংক্ষেপ
সরকারি সমীক্ষা · তথ্যের বিবরণ

পরিসংখ্যান মন্ত্রক, পর্যায়ক্রমিক শ্রমশক্তি সমীক্ষা, জুলাই ২০২৩–জুন ২০২৪: তথ্যের অভিধান

পরিবার-সংক্রান্ত তথ্যের বিবরণে রাজ্য, জেলা, সামাজিক গোষ্ঠী, ধর্ম ও পারিবারিক ভোগব্যয়ের ক্ষেত্র রয়েছে।

তথ্যের অভিধান দেখা হয়েছে। বৃহৎ সামাজিক শ্রেণিবিভাগ আগুরী-নির্দিষ্ট জনসংখ্যার তালিকা নয়; বিশ্লেষণের আগে নমুনার আকার, সমীক্ষার ওজন ও শ্রেণির সংজ্ঞা পরীক্ষা করতে হবে।

সরকারি তথ্যের অভিধান
সরকারি বিজ্ঞপ্তি · শ্রেণিবিন্যাসের গবেষণা

জাতীয় অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন: কেন্দ্রীয় ওবিসি তালিকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি

কেন্দ্রীয় ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্তি ও সংশোধনের তারিখযুক্ত বিজ্ঞপ্তি অনুসন্ধানের সরকারি সূত্র। রাজ্যের তালিকা ও প্রযোজ্য আদেশ আলাদাভাবে পরীক্ষা করতে হবে।

অক্টোবর ২০২৬-এ বিজ্ঞপ্তির সূচি দেখা হয়েছে। গবেষণার সহায়ক সূত্র হিসেবে যুক্ত; কোনও আগুরী পরিবারের বর্তমান শ্রেণিবিন্যাস বা সংরক্ষণের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি।

সরকারি বিজ্ঞপ্তির সূচি
সামাজিক নৃতত্ত্ব · গ্রামীণ ক্ষেত্রসমীক্ষা

মাসাহিকো তোগাওয়া, A Sakta-pitha in Bengal: Kingship, Caste and Sacrificial Organization in a Village Society (১৯৯৬)

পিএইচডি গবেষণাপত্র, সামাজিক নৃতত্ত্ব, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, নভেম্বর ১৯৯৬; তত্ত্বাবধায়ক অজিত কে. দণ্ড। বর্ধমানের ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা মন্দিরকেন্দ্রিক নৃতাত্ত্বিক গবেষণা। প্রথম অধ্যায় (পৃ. ২৮–৩০): ১৯৯১-এর জনগণনার তথ্য, জাতিভিত্তিক পরিবার-সারণি, জনা ও সুত আগুরী পরিবার এবং উপাধিভিত্তিক নয়টি বংশ। দ্বিতীয় অধ্যায়: মন্দিরের জমি ও রাজ। ষষ্ঠ অধ্যায় (পৃ. ১৩১–১৬৫): উগ্রক্ষত্রিয় পাড়াগুলির দুর্গাপূজা, চৌধুরী পরিবারের একটি লিখিত নথিসহ (পৃ. ১৫৭–১৫৮)।

সংস্কৃতি পাতায় ক্ষীরগ্রামে বাগদিদের সবচেয়ে বড় উৎসব মনসাপূজা এবং তাঁদের নিজস্ব পুরোহিতের বিবরণের জন্য প্রথম অধ্যায়ের পৃ. ৩২ সরাসরি উদ্ধৃত হয়েছে; অংশটি গবেষণাপত্রের স্ক্যানের সঙ্গে মেলানো হয়েছে। বংশ, মন্দিরের জমি ও আচার নিয়ে অন্য আলোচনাগুলি ২০০৬ সালের প্রকাশিত বই উদ্ধৃত করে (Togawa 2006 দেখুন)। গবেষণাপত্রটি একটি স্বতন্ত্র উৎস হিসেবে ব্যবহৃত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোজিটরি
সামাজিক নৃতত্ত্ব · গ্রামীণ ক্ষেত্রসমীক্ষা

মাসাহিকো তোগাওয়া, An Abode of the Goddess: Kingship, Caste and Sacrificial Organization in a Bengal Village (২০০৬)

নয়াদিল্লি: মনোহর, ২০০৬। ISBN 9788173046773। লেখকের ১৯৯৬ সালের উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাপত্রের প্রকাশিত রূপ; মঙ্গলকোট ব্লকের ক্ষীরগ্রামে জানুয়ারি ১৯৯৪ থেকে এপ্রিল ১৯৯৫ পর্যন্ত ক্ষেত্রসমীক্ষার ভিত্তিতে লেখা। ভূমিকা (পৃ. ১৩–২৬): গ্রাম, রাজ এবং প্রায় ১৭৩০-এ পুনর্নির্মিত মন্দির। দ্বিতীয় অধ্যায় (পৃ. ৪৯–৭৪): জাতিভিত্তিক সারণি, জনা ও সুত আগুরী পরিবার, উগ্রক্ষত্রিয়দের নয়টি বংশ এবং মহারাজার সেবাজমি। চতুর্থ অধ্যায় (পৃ. ৯০–১১০): বৈশাখী উৎসব, দত্ত ও সামন্ত প্রতিনিধিদের উপবীতসহ (পৃ. ৯২)। ষষ্ঠ অধ্যায় (পৃ. ১৩০–১৫৮): উগ্রক্ষত্রিয় বংশগুলির দুর্গাপূজা ও রায়চৌধুরী বংশতালিকা (পৃ. ১৪৭–১৫০)। পরিশিষ্ট ৪ (পৃ. ১৯৪–১৯৫): বর্ধমান রাজ-প্রতিষ্ঠিত মন্দির।

সম্পূর্ণ বইটি পড়া হয়েছে। এটি ১৯৯৪–৯৫ সালের একটি গ্রামের বিবরণ ও পূর্ববর্তী রীতির লেখককৃত পুনর্গঠন; সব আগুরী বসতির সমীক্ষা নয়।

গ্রন্থাগারের ক্যাটালগ
গ্রামীণ নৃতত্ত্ব · বর্ধমান

শালিনী সাহা, “Endangered cobras and conservation politics: Exploring multispecies encounters in agrarian landscapes of West Bengal” (২০২৬)

Journal of Political Ecology 33(1)। DOI 10.2458/jpe.6439। লেখকের প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ক্ষেত্রসমীক্ষা (গবেষণাপত্র: Fertility Worship and Monsoon among Agricultural Communities of Bardhaman, ২০২৩) ও ২০১৮–২০১৯-এর নিবিড় ক্ষেত্রকাজের ভিত্তিতে লেখা। মুদ্রিত পৃ. ৭-এ মুশারুর প্রধান কৃষিজীবী সম্প্রদায় হিসেবে উগ্রক্ষত্রিয়দের উল্লেখ আছে, সদ্গোপ, গোয়ালা, নমঃশূদ্র ও বাগদিদের পাশাপাশি। মুদ্রিত পৃ. ৬, ৭, ১১–১২ ও ১৪-এ গ্রামের পরিচয়ের চিহ্ন হিসেবে গ্রামদেবতা, মুশারুর দেবী ঝঙ্কেশ্বরী ও ঝাঁকলাই গোখরো, পূর্ব বর্ধমানের অন্য গ্রামে সর্পপূজা, এবং ২০২১ থেকে ঝঙ্কেশ্বরীর শ্রাবণী পূজার ক্রমবর্ধমান জনপ্রকাশের কথা আছে।

মূল প্রবন্ধ পড়া; পৃ. ৫ ও ৭ ছবির সঙ্গে এবং পৃ. ৬, ১১–১২ ও ১৪ নিষ্কাশিত পাঠে মেলানো। একটি গ্রামের সম্মিলিত সংস্কৃতির বিবরণ, কেবল আগুরীদের নিজস্ব প্রথা নয়। গবেষণাপত্রটি আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত (সাহা ২০২৩)।

প্রবন্ধ
পিএইচডি গবেষণাপত্র · গ্রামীণ ক্ষেত্রসমীক্ষা

শালিনী সাহা, Fertility Worship and Monsoon among Agricultural Communities of Bardhaman (২০২৩)

সমাজতত্ত্ব বিভাগ, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা; তত্ত্বাবধায়ক সুকন্যা সর্বাধিকারী। শিরোনাম-পাতায় ২০২৩; ২০২৪-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাণ্ডারে জমা। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও মঙ্গলকোটের আশপাশের গ্রামে ক্ষেত্রসমীক্ষা। অঞ্চলের কৃষক ও খেতমজুরদের অর্ধেকের বেশি উগ্রক্ষত্রিয়: পৃ. ১৩–১৪। বর্ধমানের গ্রামধর্মে ধর্মরাজ ও মনসা, এবং গৃহস্থের মনসাপূজা: পৃ. ৮৭–৯০। মঙ্গলকোটের বনকাপাশিতে কালরুদ্র শিব ও ধর্মপাল: পৃ. ১১৯–১২২, ১৬৮–১৬৯, ১৯১–১৯৮।

৯ অক্টোবর ২০২৬-এ ভাণ্ডারের অধ্যায়-ফাইলগুলি (স্ক্যান করা পাতা) যন্ত্রপাঠে (OCR) পড়া; উদ্ধৃত অংশগুলি প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে। গবেষিত গ্রামগুলিতে নানা জাতির বাস, আর গবেষণাপত্রটি কোনও রীতিকে কেবল আগুরীদের বলে চিহ্নিত করেনি। এর থেকে লেখা ২০২৬-এর প্রবন্ধটি আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত (সাহা ২০২৬)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোজিটরি
সামাজিক নৃতত্ত্ব · বর্ধমান জেলা

মর্টন ক্লাস, From Field to Factory: Community Structure and Industrialization in West Bengal (১৯৭৮)

ফিলাডেলফিয়া: Institute for the Study of Human Issues। ১৯৭০–১৯৭৫-এ বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার “গোন্দোগ্রাম” (ছদ্মনাম) গ্রামে ক্ষেত্রসমীক্ষা; কাছের কারখানা কীভাবে অর্থনৈতিক লেনদেন, সামাজিক সম্পর্ক ও ধর্মাচরণ বদলেছে তার অনুসন্ধান।

eHRAF World Cultures-এর তালিকায় গ্রন্থতথ্য ও সারাংশ দেখা হয়েছে। বইটি পড়া হয়নি; আগুরী-বিষয়ক কোনও সিদ্ধান্ত এর নামে দেওয়া হয়নি।

তালিকার বিবরণ
রাজনৈতিক নৃতত্ত্ব · বর্ধমানের গ্রাম

আরিল্ড এঙ্গেলসেন রুড, “Land and Power: The Marxist Conquest of Rural Bengal” (১৯৯৪)

Modern Asian Studies 28(2), পৃ. ৩৫৭–৩৮০। DOI 10.1017/S0026749X00012440। ষাটের দশকের শেষে বিভিন্ন স্তরের কৃষকের জোট গড়ে সিপিআই(এম) কীভাবে গ্রামীণ সমর্থন পেয়েছিল, তার বিশ্লেষণ। বর্ধমান জেলায় রুডের গবেষণার অংশ; বর্ধমানের দুটি গ্রামের ভিত্তিতে লেখা তাঁর এলএসই পিএইচডি গবেষণাপত্র “Socio-cultural changes in rural West Bengal” (১৯৯৫) এবং Poetics of Village Politics (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, নয়াদিল্লি, ২০০৩)-তেও এই গবেষণা আছে।

প্রকাশকের সারাংশ দেখা হয়েছে। প্রবন্ধ ও গবেষণাপত্র পড়া হয়নি; রুডের আগুরী-সংক্রান্ত তথ্য তাঁর ২০০৩ সালের বই (Ruud 2003) থেকে উদ্ধৃত।

প্রকাশকের বিবরণ
রাজনৈতিক নৃতত্ত্ব · বর্ধমানের গ্রাম

আরিল্ড এঙ্গেলসেন রুড, Poetics of Village Politics: The Making of West Bengal’s Rural Communism (২০০৩)

নয়াদিল্লি: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৩। বর্ধমানের দক্ষিণ দামোদরে রায়না-১ ব্লকের দুটি পাশাপাশি গ্রামে ১৯৯২–৯৩ সালের ক্ষেত্রসমীক্ষা; গ্রাম দুটির কাল্পনিক নাম উদয়নালা ও গোপীনাথপুর। গোপীনাথপুরের প্রভাবশালী জাতি আগুরী (“উগ্রক্ষত্রিয়”): ১৯৯৩-এর জনসংখ্যা ও জমির সারণি (পৃ. ১৬–১৭); মণ্ডল পরিবার ও গ্রামনেতৃত্ব, ১৯৫৩–৭৭ (পৃ. ৩৬–৪১, ৫২–৫৩); প্রায় ১৯৬০-এ জাতিভিত্তিক জমির মালিকানা (পৃ. ১১৫–১১৬); শিক্ষা (পৃ. ৮৬); চাকরি ও ব্যবসায় আত্মীয় (পৃ. ৮৪–৮৫); রায়না ও জেলার জনগণনা-অনুপাত (পৃ. ১২৩, পৃ. ১৪৯-এর টীকা ২১–২২); রায়নার বিধায়ক দাশরথি তা (পৃ. ২১)।

দেওয়া স্ক্যানে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম অধ্যায় পড়া হয়েছে এবং পূর্ণপাঠ অনুসন্ধানে সব আগুরী-অংশ চিহ্নিত করা হয়েছে। বইয়ের গ্রাম ও ব্যক্তিনাম লেখকের দেওয়া; গ্রামগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে ছদ্মনামে রাখা, কোনও বাস্তব স্থানের সঙ্গে মেলানো উচিত নয়।

গ্রন্থাগারের ক্যাটালগ
ঔপনিবেশিক জেলা গেজেটিয়ার

জে. সি. কে. পিটারসন, Bengal District Gazetteers: Burdwan (১৯১০)

কলকাতা: বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট বুক ডিপো, ২২২ পৃষ্ঠা। গোখলে ইনস্টিটিউট অফ পলিটিক্স অ্যান্ড ইকনমিক্সের ডিজিটাল সংগ্রহে আছে। পৃ. ২২-এ বলা হয়েছে, আগুরীরা “তাঁদের নিজেদের স্বীকৃতি অনুযায়ী” বর্ধমানের ক্ষত্রী ও গোপভূমের সদ্গোপদের মিলনে গত দুশো বছরের মধ্যে উদ্ভূত—যা ওল্ডহ্যামের ব্যাখ্যারই পুনরাবৃত্তি। পৃ. ৫৬–৫৭-এ জেলায় মনসা ও ধর্মরাজের পূজার বিবরণ আছে, মনসার উৎস নিয়ে রমেশচন্দ্র দত্তের উদ্ধৃতিসহ।

অক্টোবর ২০২৬-এ ডিজিটাল কপি থেকে পড়া হয়েছে। পৃ. ২২-এর অনুচ্ছেদ পাতার ছবির সঙ্গে মেলানো হয়েছে; উৎপত্তি পাতায় উদ্ধৃত পৃষ্ঠাগুলি (পৃ. ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২) তার পাঠ্যস্তরে পড়া হয়েছে। ঔপনিবেশিক এই দাবি এখানে বিতর্কিত মত হিসেবে উল্লেখিত, প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস হিসেবে নয়। মনসা ও ধর্মরাজ-সংক্রান্ত অংশ (পৃ. ৫৬–৫৭) ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ পাঠ্যস্তরে পড়া হয়েছে।

ডিজিটাল কপি
লোকসংস্কৃতি গবেষণা · ১৯৫১-র জনগণনা

আশুতোষ ভট্টাচার্য, “Dharma Worship in West Bengal”, এ. মিত্র, The Tribes and Castes of West Bengal (১৯৫৩), পৃ. ৩৫১–৩৬০

Census 1951, West Bengal। কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারি মুদ্রণালয়, ১৯৫৩, পৃ. ৩৫১–৩৬০; লেখকের বাংলা মঙ্গলকাব্যের ইতিহাস (দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৯৫০), চতুর্থ অধ্যায়ের ভিত্তিতে। উপাসনার এলাকা ও বিস্তার (পৃ. ৩৫১); বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ থানার খুদকুড়িতে এক আগুরী (উগ্রক্ষত্রিয়) পরিবারের কুলদেবতা ধর্মঠাকুর, যাঁর নিত্যপূজা ব্রাহ্মণ পুরোহিত সেদ্ধ ভাতে করেন এবং খরায় যাঁকে রোদে রাখা হয় (পৃ. ৩৫২–৩৫৩, ৩৫৯); ডোম ও ব্রাহ্মণ পুরোহিত (পৃ. ৩৫২–৩৫৩); বার্ষিক পূজার সময় (পৃ. ৩৫৪); ধর্মের উৎস নিয়ে আগের মতামত এবং লেখকের আদিম সূর্যদেবতা-ব্যাখ্যা (পৃ. ৩৫৮–৩৬০)।

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাণ্ডারের স্ক্যান (PDF পৃ. ৩৫৯–৩৬৮) থেকে ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ যন্ত্রপাঠে (OCR) পড়া; পৃ. ৩৫২ পাতার ছবির সঙ্গে মেলানো হয়েছে। খুদকুড়ির বিবরণ ১৯৫০-এর কাছাকাছি সময়ের একটি পরিবারের। উৎস-সংক্রান্ত যুক্তি লেখকের নিজস্ব ব্যাখ্যা, ‘ডোম’ থেকে ‘ধর্ম’ নামের বিতর্কিত ব্যুৎপত্তিসহ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোজিটরি
দলীয় পত্রিকা · পুনর্মুদ্রিত বক্তৃতা

“হরেকৃষ্ণ কোঙার” — তাঁর ১৯৬৯ সালের বক্তৃতার সম্পাদকীয় ভূমিকা, The Marxist XXXI(1) (২০১৫)

সিপিআই(এম), The Marxist, জানুয়ারি–মার্চ ২০১৫। ১৯৬৯ সালের ২৪ জুলাই কোঙারের দেওয়া বক্তৃতার ভূমিকায় ১৮ বছর বয়সে আন্দামানের সেলুলার জেলে নির্বাসন, বর্ধমান ও পশ্চিমবঙ্গে কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব এবং ভূমিমন্ত্রী ও সর্বভারতীয় কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদকের পদের উল্লেখ আছে।

সরাসরি পড়া। দলীয় উৎস; তাঁর নিজের প্রকাশিত মত ও দলের দেওয়া জীবনবৃত্তান্তের জন্য ব্যবহৃত।

মূল উৎস দেখুন
উইকিপিডিয়ার জীবনচরিত · সীমিত ব্যবহার

Hare Krishna Konar — উইকিপিডিয়া

দুটি মন্ত্রিত্বের সঠিক তারিখ (১ মার্চ–২১ নভেম্বর ১৯৬৭; ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯–১৬ মার্চ ১৯৭০), বিমান বসুর বিবরণ থেকে আলাদা জন্মগ্রামের উল্লেখ, এবং সেলুলার জেল অংশের ১৯৩৩ ও ১৯৩৭ সালের অনশন, ১৯৩৩ সালের এপ্রিলে তাঁর আগমন ও ১৯৩৮ সালের ২৭ মার্চ মুক্তির বিবরণের জন্য ব্যবহৃত।

নিবন্ধ পড়া হয়েছে ৬ অক্টোবর ২০২৬; সেলুলার জেল অংশ পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। নিবন্ধের কয়েকটি দাবির (ভাষাজ্ঞান, বিদেশি দলের সদস্যপদ) যথেষ্ট সূত্র নেই; সেগুলি ব্যবহার করা হয়নি। ১৯৩৭ সালের অনশনের বিবরণে নির্দিষ্ট তথ্যসূত্র নেই।

মূল উৎস দেখুন
নির্বাচনী ফলের সংকলন

কালনা বিধানসভা কেন্দ্র — নির্বাচনী ফল, ১৯৫৭–১৯৭২

নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান-প্রতিবেদন থেকে সংকলিত উইকিপিডিয়ার কেন্দ্র-পাতা। ১৯৫৭ (দ্বিসদস্য কেন্দ্র, জমাদার মাঝির সঙ্গে), ১৯৬২, ১৯৬৭, ১৯৬৯ ও ১৯৭১-এ কোঙারের জয় এবং ১৯৭২-এ নুরুল ইসলাম মোল্লার জয়ের তথ্য দেয়।

পড়া হয়েছে ৬ অক্টোবর ২০২৬। নির্বাচন কমিশনের মূল প্রতিবেদনগুলি আলাদা করে দেখা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
অংশগ্রহণকারীর বিবরণ · ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি

দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, “Land Reform in West Bengal” (২০০০)

Economic and Political Weekly 35(21–22), ২৭ মে ২০০০, মন্তব্য-প্রবন্ধ। কোঙার লেখককে ভূমি-নথি ও জরিপের অধিকর্তা নিযুক্ত করেছিলেন। প্রবন্ধে গোপনে বা বেনামে রাখা সিলিং-উদ্বৃত্ত জমি খাস করার উদ্যোগ এবং নকশালবাড়ি আন্দোলন সম্পর্কে কোঙারের দৃষ্টিভঙ্গির বিবরণ আছে।

প্রবন্ধের প্রকাশ্য অংশ পড়া হয়েছে; বাকিটা সদস্যপদ-নির্ভর। অংশগ্রহণকারীর স্মৃতিচারণ, নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নয়।

মূল উৎস দেখুন
সাক্ষাৎকার · রিভিউ অফ এগ্রেরিয়ান স্টাডিজ

অপরাজিতা বকসী, “Contextualising Land Reform in West Bengal: An Interview with Benoy Konar” (২০১৪)

Review of Agrarian Studies 4(2)। DOI 10.25003/RAS.04.02.0009। হরেকৃষ্ণ কোঙারের ছোট ভাই ও পরে কৃষকসভার নেতা বিনয় কোঙার ১৯৬৭–৬৯-এর জমি আন্দোলন, বেনামি জমি ও ভূমিসংস্কারের সীমাবদ্ধতা নিয়ে বলেছেন।

সরাসরি পড়া। পরিবারের সদস্য ও দলীয় সহকর্মীর স্মৃতি; তাঁর সাক্ষ্য হিসেবেই ব্যবহৃত।

মূল উৎস দেখুন
সাপ্তাহিক পত্রিকা · সম্পাদকীয় প্রবন্ধ

“Other Voices in Naxalbari Movement”, Frontier 53(22–25) (২০২০)

Frontier, ২৯ নভেম্বর–২৬ ডিসেম্বর ২০২০। ১৯৬৭ সালে শিলিগুড়ির কাছে কানু সান্যালের সঙ্গে কোঙারের বৈঠক, মন্ত্রীদের প্রতিনিধিদলের আবেদন এবং পুলিশি অভিযানের আগে সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ার বিবরণ।

সরাসরি পড়া। পরবর্তীকালের পর্যালোচনা; বৈঠকের সঠিক তারিখ নিয়ে বিবরণে মতভেদ আছে, তাই তারিখের উপর নির্ভর করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
সমসাময়িক রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

গৌতম আপ্পা, “The Naxalites”, New Left Review I/61 (১৯৭০)

New Left Review I/61, মে–জুন ১৯৭০। নকশালপন্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল সমসাময়িক বিশ্লেষণ; কোঙার স্থানীয় কর্মীদের শান্ত করতে চেয়েছিলেন বলে জানায় এবং স্টেটসম্যানের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে যে তিনি বিদ্রোহীদের “ডাকাত” বলেছিলেন।

সরাসরি পড়া। সমালোচনামূলক ও পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি; সংবাদপত্রের উদ্ধৃতি পরোক্ষ।

মূল উৎস দেখুন
নীতি-গবেষণাপত্র

অতীগ ঘোষ, Left Front Government in West Bengal (1977–1982): Considerations on “Passive Revolution” and the Question of Caste in Bengal Politics (২০১৭)

Policies and Practices 93, মহানির্বাণ ক্যালকাটা রিসার্চ গ্রুপ, ২০১৭। পৃ. ৮ ও ১১-এ কোঙারের আলোচনা এবং যুক্তফ্রন্ট আমলের কৃষকদের জমি দখলের সঙ্গে পরবর্তী বামফ্রন্টের জমি বণ্টনের তুলনা; লেখকের মতে দল পরে আন্দোলনের বদলে প্রশাসনের উপর নির্ভর করেছিল।

সরাসরি পড়া। একরের তুলনাটি আগের গবেষণা থেকে নেওয়া; এখানে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

মূল উৎস দেখুন
সংবাদপত্রের শ্রদ্ধাঞ্জলি

চঞ্চল সরকার, “He was a man of the masses” — দ্য ট্রিবিউন, স্পেকট্রাম (২৫ জুন ২০০০)

১৯৭৭ সাল থেকে ভূমি ও ভূমিসংস্কার মন্ত্রী হিসেবে বিনয় চৌধুরীর কাজ, বিশেষত বর্গাদারদের জমির অধিকার সুরক্ষার স্মরণে লেখা কলাম।

৮ অক্টোবর ২০২৬ সরাসরি পড়া। কলামে তাঁকে “the senior most member of the West Bengal cabinet after Jyoti Basu” বলা হয়েছে; এটি শ্রদ্ধাঞ্জলি, মন্ত্রিসভায় পদমর্যাদার সরকারি নথি নয়।

মূল উৎস দেখুন
উইকিপিডিয়ার জীবনচরিত · সীমিত ব্যবহার

Shashi Panja — উইকিপিডিয়া

কেবল অজিতকুমার পাঁজার পরিবারের সঙ্গে তাঁর বৈবাহিক সম্পর্ক (তাঁর স্বামী অজিত পাঁজার পুত্র) এবং ২০১৩–২০২৬ সালে রাজ্যের মন্ত্রিত্বের জন্য ব্যবহৃত।

নিবন্ধ পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। পাঁজা পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বিবাহসূত্রে; পদবি থেকে এই ওয়েবসাইট তাঁর নিজস্ব সম্প্রদায় অনুমান করে না।

মূল উৎস দেখুন
সরকারি প্রক্ষেপণ · অনুপাতের হর হিসেবে ব্যবহৃত

জনসংখ্যা প্রক্ষেপণ বিষয়ক টেকনিক্যাল গ্রুপ, Population Projections for India and States, 2011–2036 (জাতীয় জনসংখ্যা কমিশন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক, ২০২০)

২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা প্রায় ১০ কোটি বলে প্রক্ষেপিত; প্রথম পাতায় দেওয়া অনুপাত এই সংখ্যার ভিত্তিতে। আগুরীদের প্রায় ৩.২ লক্ষের হিসাবটি এই প্রকল্পের নিজস্ব অনুমান: ১৯২১ সালের জনগণনার ৬৮,৮১৬ (দত্ত, সারণি ১৩.১) থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্মহার ও মৃত্যুহারের ধারা অনুসরণ করে কোহর্ট-কম্পোনেন্ট পদ্ধতিতে প্রক্ষেপণ। অন্যান্য সম্ভাব্য অনুমানে সংখ্যাটি প্রায় ২.৭ থেকে ৪.১ লক্ষ।

PARI-র গ্রন্থাগারে প্রতিবেদনের বিবরণ দেখা হয়েছে। আগুরীদের সংখ্যাটি অনুমান, গণনা নয়: ১৯৩১ সালের পর তফসিলি জাতি ও জনজাতি ছাড়া অন্য জাতির গণনা হয়নি, এবং আত্মপরিচয়ের পরিবর্তন হিসাবে ধরা হয়নি।

গ্রন্থাগারের বিবরণ
সরকারি জনগণনা সারণি

ভারতের জনগণনা ২০১১, পশ্চিমবঙ্গ, সারণি A-2: ১৯০১ সাল থেকে জনসংখ্যার দশকওয়ারি পরিবর্তন

২০১১ সালের সীমানা অনুযায়ী বর্ধমান জেলার মোট জনসংখ্যা: ১৯১১ সালে ১৫,৩৩,৮৬৮ এবং ১৯২১ সালে ১৪,৩৪,৭৬৬। দত্তের দেওয়া বর্ধমানের আগুরী সংখ্যা (৬৬,৫৫১ ও ৫৯,৯৪৯; সারণি ১৩.১) এর সঙ্গে মেলালে আগুরীরা ছিলেন জেলার প্রায় ৪.৩ ও ৪.২ শতাংশ।

সারণিটি পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। জনগণনার মোট সংখ্যা ২০১১ সালের জেলাসীমা অনুযায়ী সমন্বিত, কিন্তু দত্তের সংখ্যা তৎকালীন সীমানা অনুসারে; তাই অনুপাতগুলি আনুমানিক।

সরকারি জনগণনার নথি ও ডাউনলোড
সরকারি নির্বাচনী কেন্দ্রের তালিকা

পশ্চিম বর্ধমান জেলা — বর্তমান নির্বাচনী কেন্দ্র ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের তালিকা

জেলা প্রশাসনের তালিকায় ভারতীয় জনতা পার্টির অগ্নিমিত্রা পালকে ২৮০-আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি তালিকাটি পড়া হয়েছে ৯ অক্টোবর ২০২৬। তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র ও দলের জন্য ব্যবহৃত; সম্প্রদায়-পরিচয় বা ভোটসংখ্যার প্রমাণ হিসেবে নয়।

সরকারি নির্বাচনী কেন্দ্রের তালিকা
সরকারি ঘোষণা

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো — পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ (৯ মে ২০২৬)

৯ মে ২০২৬-এ PIB-তে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ঘোষণায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অগ্নিমিত্রা পালের নাম রয়েছে।

সরকারি ঘোষণাটি পড়া হয়েছে ৯ অক্টোবর ২০২৬। ২০২৬ সালের মে মাসে তাঁর মন্ত্রিত্ব শুরু হওয়ার জন্য ব্যবহৃত; দপ্তর বণ্টন বা সম্প্রদায়-পরিচয়ের জন্য নয়।

শপথগ্রহণের সরকারি ঘোষণা
সংবাদ-প্রোফাইল

দেবজ্যোতি চক্রবর্তী, “Burnpur to Brigade - Pupai traverses a long road” — ইউএনআই (৯ মে ২০২৬)

আসানসোলে অগ্নিমিত্রা পালের বেড়ে ওঠার বিবরণ; তাঁর বাবা শিশুরোগবিশেষজ্ঞ ডা. অশোক রায় এবং স্বামী পার্থ পালের নাম রয়েছে।

প্রোফাইলটি পড়া হয়েছে ৮ অক্টোবর ২০২৬। প্রকাশকের নতুন ঠিকানার পাতা ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ দেখা হয়েছে; সেখানে প্রকাশের তারিখ ৯ মে ২০২৬ এবং শুরুর অংশ দেখা যায়, সম্পূর্ণ পড়তে সাইন-ইন প্রয়োজন। তিনি বিবাহসূত্রে আগুরী পরিবারের সদস্য—এই তথ্য প্রকল্পের কর্ণধারের দেওয়া; পাল পরিবারের সম্প্রদায় সম্পর্কে কোনও প্রকাশিত সূত্র এখনও পাওয়া যায়নি।

মূল উৎস দেখুন
প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ

Aajkaal, Bhatar’s outgoing and newly elected MLAs meet (6 May 2026)

সৌমেন কার্ফা ও মানগোবিন্দ অধিকারীকে আগুরী/উগ্রক্ষত্রিয় বলে চিহ্নিত করে এরুয়ারে তাঁদের সাক্ষাতের বিবরণ।

সূচিবদ্ধ বাংলা প্রতিবেদনের পাঠ যাচাই করা হয়েছে; সমগ্র সম্প্রদায়ের ভোটদানের ধরন বোঝায় না।

Open source
গবেষণা

Biswajit Ghosh, Social Structure in Bardhaman (draft report)

বর্ধমান জেলা ভাগের আগে লেখা খসড়া অধ্যায়, ২০২১ সালে আপলোড করা; জমি, বাণিজ্য, বিবাহ ও জাতিসম্পর্কের আলোচনা।

লেখকের আপলোড করা পাঠ দেখা হয়েছে; এটি ২০২৬ সালের সমীক্ষা নয়।

Open source
গবেষণা

Swapan Kumar Pramanick, review of Explorations in Colonial Bengal (2025)

জার্নাল অফ দ্য এশিয়াটিক সোসাইটি LXVII(3), পৃ. ৯৫–১০০, বিশেষত পৃ. ৯৯; উগ্রক্ষত্রিয়দের সামাজিক উত্তরণ সম্পর্কে দত্তের আলোচনার পর্যালোচনা।

পর্যালোচকের নামে আরোপিত গবেষণামূলক বই-সমালোচনা হিসেবে ব্যবহৃত।

Open source
গবেষণা

Abdul Qaiyum, Education and Social Change: Role of a School in the Transformation of a Village (2017)

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ অ্যাপ্লায়েড রিসার্চ ৩(৭), পৃ. ১০৯৫–১১০০; মন্তেশ্বরের দোলন গ্রাম থেকে শিক্ষিত আগুরীদের চলে যাওয়ার উল্লেখ।

একটি গ্রামের গবেষণা; গ্রামের সামগ্রিক অভিবাসনের তথ্যকে আগুরী-নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান বলা হয়নি।

Open source
প্রকাশ্য সম্প্রদায়ের বিবরণ

Ugra Kshatriya (AGURI) — public Facebook group description

ভৌগোলিক বিস্তার ও পেশা সম্পর্কে গোষ্ঠীর নিজস্ব বর্ণনা, ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ পড়া।

সম্প্রদায়ের আত্মবর্ণনা; অভিবাসনের জনগণনা বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা পেশাগত বণ্টন নয়।

Open source
প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ

Sanjay Dey, profile of Chandrasekhar Bandyopadhyay — Ei Samay (9 April 2026)

রাজনীতিকের কর্মসংস্থান-উদ্বেগ ও আগুরী বলে চিহ্নিত মহুয়ার সঙ্গে বিবাহের বিবরণ; চন্দ্রশেখরকে ব্রাহ্মণ বলা হয়েছে।

ব্যক্তিগত দৃষ্টান্ত ও রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতিবেদন; অভিবাসনের হার বা বেকারত্বজনিত অসবর্ণ বিবাহের প্রমাণ নয়।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

Government of West Bengal — Migrant Worker Welfare Scheme

পশ্চিমবঙ্গের বাইরে, বিদেশ-সহ, কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণ প্রকল্পের সরকারি বিবরণ।

নীতিগত প্রেক্ষিতের জন্য ব্যবহৃত; আগুরীদের অভিবাসনের পৃথক সংখ্যা দেয় না।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

West Bengal Backward Classes Welfare Department — caste lists

তফসিলি জাতির মর্যাদা নির্ধারণের সরকারি তালিকা দেখা হয়েছে।

৯ অক্টোবর ২০২৬-এ শ্রেণিবিন্যাসের প্রেক্ষিত যাচাই; সংরক্ষণ চাকরি নিশ্চিত করে—এমন প্রমাণ নয়।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

West Bengal OBC notification (18 May 2026)

ভর্তি পোর্টালে সংরক্ষিত সরকারি বিজ্ঞপ্তি; আগুরীদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে প্রবন্ধের বক্তব্যের জন্য তালিকা দেখা হয়েছে।

প্রবন্ধের জন্য যাচাই করা নির্দিষ্ট তারিখের সরকারি শ্রেণিবিন্যাস; পরবর্তী সংশোধনে যোগ্যতা বদলাতে পারে।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

West Bengal — official EWS certificate application guidance

আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির শংসাপত্রের জন্য আয় ও সম্পত্তিগত যোগ্যতার সরকারি নির্দেশিকা।

৯ অক্টোবর ২০২৬-এ দেখা; যোগ্যতা শর্তসাপেক্ষ, সব আগুরী পরিবারের জন্য স্বয়ংক্রিয় নয়।

Open source
প্রকাশ্য সম্প্রদায়ের বিবরণ

Ugra Kshatriya Paribar — public matrimonial discussion (October 2026)

কৃষিজীবী পরিবারের বিবাহের বিজ্ঞাপন ও বেতনভিত্তিক চাকরি নিয়ে একটি প্রতিক্রিয়া; ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ দেখা।

প্রবন্ধে ব্যক্তিদের নাম দেওয়া হয়নি। প্রকাশিত পছন্দের দৃষ্টান্ত, প্রতিনিধিত্বমূলক বিবাহ-প্রবণতা নয়।

Open source
গবেষণা

Sucharita Sen, Caste No Bar? Non-Resident Indian Grooms Searching for Brides in Kolkata (2025)

পাবলিক হিউম্যানিটিজ; জাতি ও প্রবাসী বিবাহ-পছন্দ নিয়ে গুণগত গবেষণা।

শুধু তুলনামূলক প্রেক্ষিত; আগুরী-নির্দিষ্ট গবেষণা নয়।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

Election Commission of India — Bhatar Assembly result (May 2026)

২৬৭ নম্বর কেন্দ্রের সরকারি ফল: কার্ফা সৌমেন, বিজেপি, ৯৮,৮২০ ভোট; শান্তনু কোনার, তৃণমূল, ৯২,২৯২।

নির্বাচনী ফল ও দল যাচাই করে; প্রার্থীর জাতি বা জাতিভিত্তিক ভোট নয়।

Open source
তথ্যসূত্র

Hare Krishna Konar — biographical reference and bibliography

আগুরী পটভূমির জন্য উইকিপিডিয়া জীবনীতে Liyiyu ও Abhijit Dasgupta-র Alternatives in Development (২০২১), পৃ. ১৫৬ উদ্ধৃত।

তথ্যসূত্রের আরোপিত পরিচয়; মূল বইয়ের অনুচ্ছেদ এই প্রবন্ধের জন্য স্বাধীনভাবে দেখা হয়নি।

Open source
প্রাথমিক উৎস

British Library EAP1230 — admission record ADF_E_0138 (15 September 1947)

চিকিৎসক ডা. ধনপতি পাঁজার পুত্র Ranajit Kumar Panja-র তালিকাভুক্ত নথি; ধর্ম/জাতি হিন্দু, উগ্রক্ষত্রিয়।

সূচিবদ্ধ নথি-তালিকার পাঠ দেখা; নাম ও পিতার পরিচয় মিলিয়ে শনাক্তকরণ, সংসদীয় জীবনীর বানানের সঙ্গে সামান্য পার্থক্য আছে।

Open source
তথ্যসূত্র

Barasat parliamentary constituency — election history

রঞ্জিতকুমার পাঁজার ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালের জয় এবং ২০০৪ সালের পরিবর্তন সমর্থনকারী নির্বাচনী ইতিহাস।

নির্বাচনী তথ্যসূত্র; কার্যকালের জন্য ব্যবহৃত, জাতি-পরিচয়ের জন্য নয়।

Open source
ঐতিহাসিক নথি

Ajit Kumar Panja — Twelfth Lok Sabha biographical sketch

দ্বাদশ লোকসভায় অজিত পাঁজার পিতা, কেন্দ্র ও তৃণমূল পরিচয় উল্লেখ করা IndiaPress-এ পুনঃপ্রকাশিত জীবনী।

সংসদীয় জীবনীর প্রতিলিপি; পৃথকভাবে জাতি ঘোষণা করে না।

Open source
প্রাথমিক উৎস

Rediff interview with Ajit Kumar Panja (25 April 2001)

সাক্ষাৎকারে তাঁর প্রাক্তন বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর ভূমিকা এবং ভাই, বারাসতের সাংসদ রঞ্জিতকুমার পাঁজার সঙ্গে সম্পর্কের উল্লেখ।

জনজীবন ও পারিবারিক সম্পর্কের জন্য ব্যবহৃত; রাজনৈতিক মতামত বক্তার নিজস্ব।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

Ministry of External Affairs — Annual Report 2000–2001

বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে অজিতকুমার পাঁজার দায়িত্বের সরকারি বিবরণ।

মন্ত্রিত্বের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত, সম্প্রদায়-পরিচয়ের জন্য নয়।

Open source
প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ

Anandabazar Patrika — Asansol municipal shop dispute (27 December 2024)

বরাদ্দ দোকান নিয়ে আগুরী বাসিন্দাদের সংগঠিত হওয়া ও পুরসভা-পুলিশের হস্তক্ষেপের বাংলা প্রতিবেদন।

অভিযোগগুলি প্রতিবেদনের নামে আরোপিত; দোষ প্রমাণিত হয়েছে বলা হয়নি।

Open source
প্রকাশ্য সম্প্রদায়ের বিবরণ

Basab Choudhuri — Ugra Kshatriya Mahasabha meeting at Khirgram (27 September 2026)

অংশগ্রহণকারী, উল্লিখিত পদাধিকারী এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও ক্ষুদ্রশিল্পে প্রস্তাবিত কাজ নিয়ে প্রকাশ্য পোস্ট।

৯ অক্টোবর ২০২৬-এ সরাসরি পড়া। পদাধিকারী ও প্রস্তাব পোস্টটির বক্তব্য; স্বাধীনভাবে প্রত্যয়িত নয়।

Open source
প্রকাশ্য সম্প্রদায়ের বিবরণ

History and Culture of Ugra-Khastriya — public Facebook page

পাতার পরিচিতিতে উগ্রক্ষত্রিয় মহাসভার নাম; জানুয়ারি ২০২১-এর পোস্টে রাজপুত/ক্ষত্রিয় বংশপরিচয়ের দাবি; অক্টোবর ২০২১-এর পোস্টে আসানসোল ইউনিটের লিংক।

প্রকাশ্য পরিচয়-দাবির প্রমাণ; বংশপরিচয় বা আনুষ্ঠানিক দলীয় সম্পর্কের প্রমাণ নয়। সংযুক্ত ব্যক্তিগত গোষ্ঠী দেখা হয়নি।

Open source
প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ

Sajjan Kumar — opinion on Bengal caste politics, Indian Express (20 March 2021)

বিজেপির জাতিভিত্তিক প্রচার আগুরী-সহ কয়েকটি সম্প্রদায়কে হিন্দুত্বের দিকে টেনেছে—রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মূল্যায়ন।

আরোপিত মতামত; জাতিভিত্তিক ভোট-সমীক্ষা বা মহাসভার দলীয় সদস্যতার প্রমাণ নয়।

Open source
প্রকাশ্য সম্প্রদায়ের বিবরণ

Ugra Kshatriya Paribar — Bisk Farm founder tribute and replies (28 June 2024)

উগ্রক্ষত্রিয় হ্যাশট্যাগে কৃষ্ণদাস পালের সাফল্য উদ্‌যাপনকারী নামহীন প্রকাশ্য পোস্ট; প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রদায়ের গর্ব এবং একটিতে হিন্দুত্বের উল্লেখ।

৯ অক্টোবর ২০২৬-এ সরাসরি পড়া। সম্প্রদায়ের আরোপ ও পরিবারের আত্মপরিচয় আলাদা; আর্থিক দাবি পৃথকভাবে যাচাই করা হয়েছে।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

Bisk Farm — company history

কে. ডি. পালের হাতে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা এবং নাগপুর ও বেঙ্গালুরু-সহ উৎপাদন সম্প্রসারণের কোম্পানির বিবরণ।

ব্যবসার ইতিহাসের কোম্পানি-প্রদত্ত উৎস; জাতি নথিভুক্ত করে না।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

SAJ Food Products Private Limited — annual return, FY2024–2025

১ এপ্রিল ২০২৪–৩১ মার্চ ২০২৫-এর বিধিবদ্ধ MGT-7 রিটার্ন; প্রায় ১,৬৬৬.৫ কোটি টাকা টার্নওভার।

বিধিবদ্ধ কোম্পানি নথি; সমগ্র সম্প্রদায়ের সমৃদ্ধি সম্পর্কে অনুমান করা হয়নি।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

Bisk Farm — leadership announcement (31 July 2025)

কোম্পানির প্রকাশিত ঘোষণায় অর্পণ পালকে এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান বলা হয়েছে।

উল্লিখিত ব্যবসায়িক পদের জন্য ব্যবহৃত।

Open source
প্রাতিষ্ঠানিক নথি

ICRA — SAJ Food Products rating rationale (30 May 2025)

ঋণমান মূল্যায়নে FY2024-এ আয় কমা, FY2025-এ পুনরুদ্ধার, উপকরণের খরচ ও পিছিয়ে দেওয়া বিনিয়োগের আলোচনা।

নির্দিষ্ট সময়ের কোম্পানি মূল্যায়ন; নিরবচ্ছিন্ন বৃদ্ধির দাবিতে সীমা টানতে ব্যবহৃত।

Open source
গবেষণা

Kuntala Lahiri-Dutt and Pallabi Sil, Beyond the Boundary (2004)

কনটেম্পোরারি সাউথ এশিয়া ১৩(৩), পৃ. ২৫৭–২৭২; আগুরী মহিলার বিমা/সঞ্চয় ও প্রসাধনী-ব্যবসার কাজ, বিশেষত পৃ. ২৬৩–২৬৪।

পুরোনো গুণগত দৃষ্টান্ত; ২০২৬ সালে মহিলাদের কাজের পরিমাপ নয়।

Open source
গবেষণা

Amit Mitra, Bhadralok Women Do Not Work Outside the Home (2014)

জার্নাল অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যানথ্রোপলজিক্যাল সোসাইটি ৪৯; ২০০৭-এর ক্ষেত্রসমীক্ষায় রাস্তার ধারের রেস্তরাঁ পরিচালনায় যুক্ত আগুরী বিধবার দৃষ্টান্ত।

নির্দিষ্ট সময়ের নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টান্ত; এই প্রবন্ধে ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়নি।

Open source

প্রতিলিপি ও অনুবাদ

মূল স্ক্যানই নির্ভরযোগ্য তুলনার ভিত্তি। যন্ত্রপাঠ অনুসন্ধানে সাহায্য করে; তাকে যাচাই করা উদ্ধৃতি হিসেবে দেখানো হয় না। যাচাই করা প্রতিলিপিতে অর্থবহ ঐতিহাসিক বানান রাখা, মুদ্রিত পৃষ্ঠা ও স্ক্যানের নম্বর পৃথক করা এবং অপাঠ্য শব্দ চিহ্নিত করা উচিত। ইংরেজি অনুবাদে সেই প্রতিলিপি ও তার অনিশ্চয়তা অনুসরণ করা দরকার।

পাঠ ও অনুবাদ সংগ্রহে ৯৮ পাতার বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ, পাঁচটি সম্পূর্ণ নির্বাচিত রচনা এবং একটি সূচনাপৃষ্ঠার অংশ রয়েছে। বইয়ের ডাউনলোডযোগ্য ইংরেজি PDF-এ সূচিপত্র ও অনুবাদকের টীকা আছে। ছোট রচনাগুলিতে পৃষ্ঠার উল্লেখ, মূল স্ক্যান এবং ইংরেজি পাঠের ডাউনলোড রয়েছে; দুটি বইয়ের ভূমিকায় বাংলা প্রতিলিপিও আছে। সাময়িকপত্রের পাঠাগারে নির্বাচিত পাঠ-টীকা পড়তে পারবেন।

আরও পড়ুন

টীকা ও উৎস

  1. অচিন্ত্যকুমার দত্ত, “Prosperity, Dominance, and Social Mobility: Emergence of a Mobile Caste in Colonial Southwest Bengal” (২০২৩), পৃ. ২৯৭–৩২৪. দেওয়া বইয়ে সম্পূর্ণ অধ্যায়, অন্ত্যটীকা ও গ্রন্থপঞ্জি সরাসরি পড়া হয়েছে। উল্লেখে মুদ্রিত পৃষ্ঠাসংখ্যা ব্যবহৃত। উৎপত্তির অনুমান লেখকের মত হিসেবেই রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের বইয়ের নথি খুলবে। উৎসের বিবরণ
  2. সুদর্শনা ভৌমিক, The Changing World of Caste and Hierarchy in Bengal: Depiction from the Mangalkavyas c. 1700–1931 (২০২৩). দেওয়া বইয়ের প্রতিটি আগুরী ও উগ্রক্ষত্রিয় অংশ পূর্ণপাঠ অনুসন্ধানে খুঁজে প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে; বইয়ের বাকি অংশ পর্যালোচিত নয়। রাজস্থান–মানসিংহের আগমনকাহিনি লেখকের বিবৃত ঐতিহ্য হিসেবে দত্তের অনিশ্চয়তার পাশে রাখা হয়েছে। সংযোগে প্রকাশকের নথি খুলবে। মনসা ও ধর্মঠাকুর-সংক্রান্ত অংশ ৯ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রসঙ্গসহ পড়া হয়েছে। উৎসের বিবরণ
  3. মাসাহিকো তোগাওয়া, An Abode of the Goddess: Kingship, Caste and Sacrificial Organization in a Bengal Village (২০০৬). সম্পূর্ণ বইটি পড়া হয়েছে। এটি ১৯৯৪–৯৫ সালের একটি গ্রামের বিবরণ ও পূর্ববর্তী রীতির লেখককৃত পুনর্গঠন; সব আগুরী বসতির সমীক্ষা নয়। উৎসের বিবরণ
  4. আরিল্ড এঙ্গেলসেন রুড, Poetics of Village Politics: The Making of West Bengal’s Rural Communism (২০০৩). দেওয়া স্ক্যানে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম অধ্যায় পড়া হয়েছে এবং পূর্ণপাঠ অনুসন্ধানে সব আগুরী-অংশ চিহ্নিত করা হয়েছে। বইয়ের গ্রাম ও ব্যক্তিনাম লেখকের দেওয়া; গ্রামগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে ছদ্মনামে রাখা, কোনও বাস্তব স্থানের সঙ্গে মেলানো উচিত নয়। উৎসের বিবরণ

ঐতিহ্য প্রকল্পে খুঁজুন

শুরু করতে একটি শব্দ বা বাক্যাংশ লিখুন।

সাময়িকপত্রের ভিতরের বাংলা লেখার জন্য ব্যবহার করুন সাময়িকপত্রের পাঠাগার.