স্বাধীনতা আন্দোলন · আইন · জনসেবা
জীবন ও কাজ
১৮৮৬–১৯৬১ · স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজ্যের মন্ত্রী
যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা বর্ধমান রাজ কলেজ থেকে স্নাতক হন।[১] দত্তের বিবরণে ১৯১১ সালে রিপন কলেজ থেকে তাঁর আইনের ডিগ্রি এবং ১৯২০ সালে স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য ওকালতি ছাড়ার কথা আছে।[২]
তিনি বর্ধমান শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে সাথীনন্দী গ্রামের এক সমৃদ্ধ ভূস্বামী উগ্রক্ষত্রিয় পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা নৃসিংহমুরারি পাঁজা ছিলেন বর্ধমান রাজ কলেজের প্রথম স্নাতক এবং উনিশ শতকের শেষ পঁচিশ বছরে বর্ধমান রাজ কলেজিয়েট স্কুলের একজন সফল শিক্ষক।[২]
১৯২০ সালে তিনি অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন; পরে চব্বিশ পরগনার মহিষবাথানের লবণ সত্যাগ্রহে অংশ নেন।[৩][১] সংরক্ষিত জীবনী-টীকায় ১৯৩২–৩৪ এবং আবার ১৯৪২ সালে তাঁর কারাবাসের উল্লেখ আছে।[৩]
বাংলা ইতিহাসবিষয়ক একটি প্রতিবেদনে অবিভক্ত বর্ধমান জেলা কংগ্রেসে তাঁর কুড়ি বছরের সভাপতিত্বের কথা বলা হয়েছে।[১] পরে তিনি পশ্চিমবঙ্গের কুটির ও ক্ষুদ্রশিল্প মন্ত্রী এবং ১৯৫৮–৬১ সালে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ছিলেন।[৩]
দত্ত ৩১০ পৃষ্ঠায় তাঁর উগ্রক্ষত্রিয় পরিবারের পরিচয় দিয়েছেন এবং ৩১৪ পৃষ্ঠায় সম্প্রদায়ের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মধ্যে তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁর সম্প্রদায়গত পরিচয়ের ভিত্তি ওই অংশগুলি।[২]
