রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয় — পুস্তক-পরিচয় প্রবাসীতে প্রকাশিত স্বাক্ষরহীন সমালোচনা প্রবাসী · চতুর্দশ বর্ষ, দ্বিতীয় খণ্ড সম্পূর্ণ গ্রন্থ-সমালোচনা স্ক্যানের সঙ্গে মেলানো বাংলা প্রতিলিপি। পাঠযোগ্য ঐতিহাসিক বানান রাখা হয়েছে; পঙ্‌ক্তির শেষে ভাগ করা শব্দ জোড়া হয়েছে। স্বাধীন ভাষা-পর্যালোচনা সম্পন্ন নয়। মুদ্রিত পৃ. ৪৭০ · স্ক্যান ৪৯৮ · ডান স্তম্ভের নিচে রাজপুত ও উগ্রক্ষত্রিয়—শ্রীহরিচরণ বসু সঙ্কলিত ও সম্পাদিত। প্রকাশক শ্রীআশুতোষ চৌধুরী, বর্দ্ধমান। মূল্যের উল্লেখ নাই। উগ্রক্ষত্রিয় জাতির উৎপত্তি, আচার, ব্যবহার, সংস্কার, কুলপ্রথা ও সামাজিক মর্য্যাদা নানা শাস্ত্র এবং প্রাদেশিক সাহিত্য ও ইতিহাস হইতে এই পুস্তকে সঙ্কলিত হইয়াছে। গ্রন্থকার দেখাইতে চাহিয়াছেন যে বৈদিক অগ্নিকুল রাজপুত [পরবর্তী কয়েকটি শব্দ অস্পষ্ট] মুসলমান বিজেতাদের সৈনিকরূপে বঙ্গে আসিয়া বর্দ্ধমান জেলায় উপনিবেশ স্থাপন করেন এবং তাঁহারাই উগ্রক্ষত্রিয় নামে পরিচিত হন; তৎপরে আকবরের রাজত্বকালে রাজা মানসিংহের ক্ষত্রিয়— মুদ্রিত পৃ. ৪৭১ · স্ক্যান ৪৯৯ · বাম স্তম্ভের উপরে —সৈন্যও বর্দ্ধমানের শাসনকর্ত্তার সাহায্যের জন্য সেই অংশে বাস করিতে থাকে; এই দুই উপনিবেশী ক্ষত্রিয়ের মিলনোৎপন্ন বংশই বৃহদ্ধর্ম্মপুরাণের মতে “উগ্রশ্চ রাজপুত্রশ্চ তস্যাং (বৈশ্যায়াং) ক্ষত্রাৎ বভূবতুঃ।” সুতরাং ইঁহারা ক্ষত্রিয়ই। এই গ্রন্থখানি বিশেষ একজাতির বিবরণ হইলেও জাতিতত্ত্ব-কৌতূহলিষ্ণু পাঠকের নিকট সুখপাঠ্য বলিয়া বোধ হইতেছে। এই গ্রন্থের ভূমিকাটি ইংরেজিতে কেন লেখা হইয়াছে বুঝিতে পারিলাম না।